ভোলায় নিয়ম না মেনে চলছে এন. আলম সুপার গ্যাস স্টেশন। নীতিমালা লঙ্ঘন করে উচ্চচাপ বৈদ্যুতিক লাইনের নিচেই স্থাপন করা হয়েছে স্টেশনটি। পাশাপিাশি, অন্যান্য অনিয়মের পরও মন্ত্রণালয় থেকে নকশার অনুমোদন পাওয়ায়, বিপাকে স্থানীয়রা। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দ্রুত স্টেশনটি বন্ধের দাবি তাদের।
ভোলা সদর উপজেলায় মহাসড়কের পাশে সরকারি বিধিমালা উপেক্ষা করে, গড়ে তোলা হয়েছে মেসার্স এন. আলম সুপার গ্যাস স্টেশন। ২০২৩ সালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেও, নীতিমালার একাধিক ধারা লঙ্ঘন করে কীভাবে এই অনুমোদন মিলেছে। এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্টেশনটির পেছনে গ্রামীণফোন টাওয়ার, বসতবাড়িসহ রয়েছে কয়েকটি প্লাস্টিক কারখানা। উপর দিয়ে গেছে উচ্চচাপের বৈদ্যুতিক তার, যা বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে। এলাকাবাসী আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত স্টেশনটি অপসারণের দাবি জানান তারা।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই স্থাপিত এ গ্যাস স্টেশনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে, তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অনিয়ম সত্ত্বেও অনাপত্তিপত্র পাওয়ায় জনমনে প্রশ্ন তৈরী হয়েছে। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দিচ্ছেন ভিন্ন ব্যাখ্যা।
গ্যাস স্টেশনটির নকশা অনুমোদন বিষয়ে, প্রতিষ্ঠানটির মালিককে একাধিকবার কল করলেও ব্যস্ততার কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। সাধারন মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত এ গ্যাস স্টেশনটি বন্ধ করবে প্রশাসন, এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
পড়ুন: আদানির বিদ্যুৎ : সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকির অনুসন্ধানে দুদক
দেখুন: এক দশকে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয় বাংলাদেশে রয়টার্সের প্রতিবেদন
ইম/


