দিনাজপুরের বিরামপুরে ভাড়াটিয়া নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বাড়িওয়ালা হুমায়ুন কবীরকে (৪৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ প্রায় পৌনে দুই মাস আত্মগোপনে থাকার পর র্যাব-৫ এর সহায়তায় সোমবার (২ মার্চ) রাজশাহীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) তাকে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত হুমায়ুন কবীর বিরামপুর শহরের প্রফেসরপাড়া মহল্লার মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ৪০ বছর বয়সী ওই নারী হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। পেশাগত জীবনে ওই নারী স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে আয়া হিসেবে কাজ করতেন এবং অভিযুক্ত হুমায়ুন কবীর একই হাসপাতালের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত জানুয়ারি মাসে অভিযুক্ত হুমায়ুন ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে গত ৭ জানুয়ারি বিরামপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই হুমায়ুন কবীর দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিলেন।
বিরামপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) দুলু মিয়া জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করার পর র্যাব-৫ এর একটি দলের সহযোগিতায় রাজশাহী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় পৌনে দুই মাস পলাতক থাকার পর অবশেষে আইনের জালে ধরা পড়লেন তিনি।
বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার গণমাধ্যমকে জানান:
”ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে আমরা সফলভাবে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মঙ্গলবার তাকে দিনাজপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”
বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন এবং পুলিশ এই বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
পড়ুন- রিয়াদ,জেদ্দা ও দাম্মাম বিমানবন্দর যাত্রীদের ফ্লাইট যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি বিমান কর্তৃপক্ষ


