বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না পাকিস্তান নারী দল

২০২৩ সালের এশিয়া কাপ এবং চলতি বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান হলেও এই দুই টুর্নামেন্ট খেলতে দেশটিতে যায়নি ভারত। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হাইব্রিড মডেলে আয়োজন করা হয়েছিল ভারতের ম্যাচগুলো। এবার একই কারণে পাকিস্তানও যাচ্ছে না ভারতে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তবে এবারের এই টুর্নামেন্টটি খেলতে দেশটিতে যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতের মতোই হাইব্রিড মডেলে পাকিস্তানের ম্যাচগুলো আয়োজিত হবে বলে জানিয়েছেন পিসিবির প্রধান মহসিন নাকভী।

ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত নারী বিশ্বকাপের বাছাইয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্ব আসরে পা রেখেছে পাকিস্তান। আসরে ৫ ম্যাচের সবগুলোতে জিতেছে পাকিস্তান। তবে এবার প্রশ্ন উঠেছে, ভারতে কি খেলতে যাবে পাকিস্তান। এবার সেই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দিলেন পিসিবি প্রধান।

এ প্রসঙ্গে নাকভী বলেন, ‘ভারত যেমন পাকিস্তানে এসে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলেনি, তেমনভাবে আমরাও নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলতে পারব। ভেন্যু যেটাই ঠিক করা হোক, আমরা সেখানে খেলব। যেহেতু একটা চুক্তি হয়েছে, সেটা বাস্তবায়নও করতে হবে।’

চলতি বছর অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে নিরাপত্তা ইস্যুতে পাকিস্তানে ম্যাচ খেলতে আপত্তি জানায় ভারত। তখন রোহিত শর্মাদের সবগুলো ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। তবে সেসময় পাকিস্তানও একটি শর্ত রেখেছিল। ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসির যেকোনো টুর্নামেন্টেও হাইব্রিড মডেলে অংশ নেবে পাকিস্তান। সেই শর্ত অনুযায়ীই এবার ভারতে খেলতে আপত্তি জানিয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তান ভারতে খেলতে আপত্তি জানানোয় ফাতিমা সানাদের ম্যাচগুলো আয়োজিত হতে পারে দুবাই কিংবা শ্রীলঙ্কায়। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ খেলতে দেশের বাইরে যেতে হতে পারে ভারতীয় দলকে। এক্ষেত্রে কিছুটা আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হতে পারে বিসিসিআইকে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভারতের মাটিতে হবে নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ৮ দলের টুর্নামেন্টে ৬টি দল র‍্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে আগেই সুযোগ পেয়ে গেছে। বাছাইয়ের মাধ্যমে সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিশ্বকাপের মূলপর্বে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন