২৭/০২/২০২৬, ২২:৩১ অপরাহ্ণ
22.9 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ২২:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বিশ্বনাথে এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে দুটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আদালত অবমাননা ও স্থানীয় এমপির নির্দেশনা অমান্য করে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার টিএনটি রোডে ‘বাসিয়া নদী’র তীরে অবৈধভাবে সদ্য গড়ে উঠা দুটি দোকান ঘর উচ্ছেদ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৩টার দিকে পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে ওই দুটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

‘বাসিয়া নদী’র দুই তীরে গড়ে উঠা শত শথ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি ভূমি দখলমুক্ত কারা ও নদীর নব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবিতে স্থানীয় জনগণ যখন সোচ্চার, ঠিক তখনি নদীর দক্ষিণ পাড়ে (টিএনটি রোডে) অবৈধভাবে টিনসেডের দুটি দোকান ঘর নির্মাণ করেন উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হাসনাজী গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী নূরুল ইসলাম (৬৫) ও পৌরসভার মুফতিরগাঁও গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী শফিক মিয়া (৬০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফিক মিয়া সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ব রাত থেকে নিজের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। দোকান ঘর নির্মাণ শেষে সম্প্রতি সেটি একজনকে ভাড়া দিয়ে দেন। আর শফিক মিয়ার দোকান নির্মাণের পর পরই নূরুল ইসলাম নিজের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করে আজ (শুক্রবার) প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেন। কিন্তু তাদের শেষ রক্ষা হল না। সেই নির্মম পরিহাসের শিকার হতে হল তাদেরকে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সদ্য নির্মাণকৃত দুটি অবৈধ স্থাপনাই উচ্ছেদ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এসময় থানার একদল পুলিশ, প্রশাসন ও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

অবৈধ স্থাপনা দুটি উচ্ছেদের সত্যতা স্বীকার করে এব্যাপারে বিশ্বনাথ পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, সরকারি ভূমি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে, সাথে সাথে তা উচ্ছেদে আইনানুনগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আর পুরাতন অবৈধ স্থাপনা গুলে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আদালতে দুটি রিট চলমান আছে। রিটের রায় আসার সাথে সাথেই বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহন করবে প্রশাসন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পিতার ওপর পুত্রের হামলায় আহত ৭, ঘরবাড়ি ও ৩ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন