ভালোবাসা কোনো নির্দিষ্ট দিনে সীমাবদ্ধ নয়, তবে “ভ্যালেন্টাইন ডে” আমাদের মনে করিয়ে দেয় ভালোবাসাকে প্রকাশ করার গুরুত্ব। প্রতিদিন আমরা যাদের ভালোবাসি,তাদের জন্য সময় দেওয়া, অনুভব জানানো, অথবা একটা ছোট্ট শুভেচ্ছা বার্তাই হয়ে উঠতে পারে হৃদয় ছোঁয়ার মতো। ১৪ ফেব্রুয়ারি বা ভালোবাসা দিবস আসলেই অনেকেই খুঁজে ফেরেন মনের মতো কিছু জায়গা,, যা প্রিয়জনকে নিয়ে ভালোবাসায় ভরে দিতে নির্জন স্থানে সময় কাটানো ,এমনকি তুমি আমার জন্য কতটা বিশেষ সেটাকেও গুরুত্ব দেয়া ।
প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে পছন্দের জায়গায় গিয়ে এক মেলবন্ধনের প্রহর গুনেন অনেকেই। ঠিক তেমনি প্রতি বছর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের এসে প্রিয়জনদের সাথে সাগরের নোনা জলে গোসল ও সৈকতের বালিয়াড়িতে সময় কাটাতেন। এবছর সম্পুর্ন তার ব্যতিক্রম।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভালোবাসা দিবস । প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক আসত ফেব্রুয়ারীর ১৪ তারিখ ভালোসার রঙ মাখতে। এবছর গেল ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচনের প্রভাবে সেই ভালোবাসার রঙ মাখতে তেমন একটা পর্যটকের দেখা মেলেনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ঘুরে ।
প্রিয়জনের সাথে সল্প সংখ্যক পর্যটক দেখা গেলেও অন্যান্য বছরের ন্যায় একেবারেই কম। ফলে সৈকতের ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পর্যটন নির্ভর সকল ব্যবসায়ীদেরও দিন যাচ্ছে মন্দা। তবে প্রতিবছরের ফাগুনের সাথে তুলনা করলে এবছরে ফাগুনের ছোঁয়া লাগেনি ভালোবাসায় মগ্ন থাকা নেটিজেনদের।
সমুদ্র সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা,কলাতলিসহ সৈকতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ঘুরেও তেমন কোন পর্যটকের দেখা মেলেনি। ফাঁকা সৈকতে সল্প সংখ্যক পর্যটকের পাশাপাশি স্থানীয়দের দেখা মিলছে বেশিরভাগ। এরপরেও ট্যুরিস্ট পুলিশের নিরাপত্তা, লাইফ গার্ডসহ নানা আয়োজনের কমতি ছিলনা। তবে সৈকতে পর্যাপ্ত পর্যটক না থাকায় ক্লান্ত সময় পার করছেন, টিউব, কিটকট ছাতা, ঘোড়াসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা।
নির্বাচনের আগে থেকেই ঘুরেত আসা গাজীপুরের নাছিমা আক্তার বলেন, নিষেধাজ্ঞার কথা শুনে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করতে আগে থেকেই কক্সবাজার আসছি। সৈকতে অতিরিক্ত চাপ না থাকলেও মোটামুটি ভালো সময় পার করছি। প্রিয়জনকে নিয়ে একটি প্ল্যান ছিল একবছরে ভালোবাসা দিবস কক্সবাজারেই পার করব। তাই কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার অবস্থান করছি।
ঢাকা চকবাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী সজীব বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে দোকানপাট বন্ধ এবং গাড়ী চলাচলের নিষেধাজ্ঞা আসার কথা শুনেই কক্সবাজার চলে আসি পরিবার নিয়ে। এবার ১৪ ফেব্রুয়ারিতে কক্সবাজার একটি সুন্দর সময় পার করার পরিকল্পনা ছিল । তাই পরিবারে পাঁচজন মিলেই চলে আসছি। যার জন্য এবারের জাতীয় নির্বাচনে ভোট পর্যন্ত দেয়া হয়নি। অনেক সুন্দর একটু মুহূর্ত পার করছি।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১২ ফেব্রুয়ারীর আগে থেকেই সারাদেশের সাথে দূরপাল্লার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কক্সবাজারে এবছরে ভালোবাসা দিবসের প্রভাব পড়েছে। যার জন্য সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে কক্সবাজার পর্যটন ব্যবসায়ীদের মন্দা যাচ্ছে। তবে আশা করছি নির্বাচন পরবর্তী সময় যখন সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে ঈদের পর থেকেই কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসার বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আশা করছি
পড়ুন:ভেনেজুয়েলা সফরের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
দেখুন:সভাস্থলে নেতাকর্মীদের আপ্যায়নের প্রস্তুতি নিয়েছে রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপি |
ইম/


