১৫/০১/২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ
15 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বুড়িমারী স্থলবন্দরে ট্রাকের কেবিন থেকে ভারতীয় চালকের মরদেহ উদ্ধার

​লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত বুড়িমারী স্থলবন্দরের ট্রাক ইয়ার্ডে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের ভেতর থেকে এক ভারতীয় চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে ট্রাকের কেবিনে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে মৃত পাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন

​নিহত ওই চালকের নাম সনম তামাং (৩৩)। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আলীপুর দুয়ার জেলার মাদারিহাট থানার মন্ডলপাড়া গ্রামের, কাঞ্ছা তামাং-এর ছেলে। তিনি নিয়মিত চ্যাংড়াবান্ধা থেকে বুড়িমারী স্থলবন্দরে পণ্য পরিবহনের কাজ করতেন।


স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর হয়ে ভুটানি পাথরবোঝাই ট্রাক নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন সনম তামাং। বুড়িমারী স্থলবন্দরের নির্ধারিত স্থানে পাথর খালাস করার পর তিনি ট্রাকটি বন্দরের ইয়ার্ডে পার্ক করেন। রাতে অন্য চালকদের মতোই তিনি নিজ ট্রাকের কেবিনে ঘুমাতে যান।

​শুক্রবার সকালে ভারতে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল তার। সকাল ৬টার দিকে পাশের ট্রাকে থাকা সহকর্মীরা তাকে ডাকাডাকি করেন। দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পেয়ে তারা কেবিনের কাছে গিয়ে দেখেন, সনম তামাং নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে বিষয়টি দ্রুত স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানানো হয়।


খবর পেয়ে পাটগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

​পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। রিপোর্ট হাতে পেলে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

​এদিকে, এই ঘটনার পরেও স্থলবন্দরের অন্যান্য পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে বন্দর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

পড়ুন- পায়ের ছাপে মিলল চিতাবাঘের উপস্থিতি,পাটগ্রাম সীমান্তে এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক

দেখুন- ঝিনাইদহে দুই আ. লীগ নেতার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন