বিজ্ঞাপন

বৃষ্টিতেই অচল তিলাশিজুড়া সড়ক, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৮নং রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের তিলাশিজুড়া এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা সড়ক দীর্ঘদিন ধরে চরম বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তিলাশিজুড়া বেসরকারি স্কুল থেকে জহির মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কটি এখন জনদুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কটির কোথাও কোথাও বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও কাদামাটিতে একেবারে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো সড়ক কাদার সাগরে পরিণত হয়। এতে করে কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করা তো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহারকারী শত শত মানুষকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে তিলাশিজুড়া বেসরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টির দিনে অনেক শিক্ষার্থী কাদার কারণে স্কুলে যেতে পারে না। অভিভাবকরাও সন্তানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনেক সময় স্কুলে পাঠাতে অনিচ্ছুক হয়ে পড়েন। এতে করে শিশুদের শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

এছাড়াও প্রবাসী মারুফ মিয়ার বাড়ির সামনে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ। সেখানে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যা যে কোনো সময় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে রাতে চলাচলের সময় পথচারীরা চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির এই দুরবস্থা চললেও এখনো পর্যন্ত কোনো ধরনের সংস্কার কাজ শুরু হয়নি।

এলাকাবাসী জানান, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে থাকেন। কিন্তু সড়কের এমন করুণ অবস্থার কারণে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবেন তারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : লালমনিরহাটে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন