০৯/০২/২০২৬, ১৮:২৪ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
০৯/০২/২০২৬, ১৮:২৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বৃষ্টি উপেক্ষা করে পটুয়াখালীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের কাফনের কাপড় বেধে মিছিল

ছয় দফা দাবি পূরণে সুস্পষ্ট ঘোষণা না পাওয়ায়, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাফনের কাপড় মাথায় বেধে মিছিল করেছে পটুয়াখালী পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) মিছিলটি জুমার নামাজের পর পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর জামে মসজিদ থেকে শুরু হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে শহিদ হৃদয় তরুয়া চত্বরে আসে।
কারিগরি শিক্ষার মর্যাদা, চাকরির নিশ্চয়তা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন নতুন মাত্রা পেয়েছে।

‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ’ নামক একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, জুমার নামাজের পর সারাদেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা ‘৮৭ এর কাফন আন্দোলন’-এর মতো কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে গণমিছিল করবে। ঘোষণা অনুযায়ী, বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলেও কাফনের কাপড় মাথায় বেধে পটুয়াখালীতে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ‘কাফন মিছিল’অনুষ্ঠিত হয়েছে । এ সময় শিক্ষার্থীদের মাথায় ছিল সাদা কাফনের কাপড়, অনেকে শরীরেও জড়িয়েছিলেন সাদা কাপড়।

বিজ্ঞাপন


মিছিল থেকে ছড়িয়ে পড়ে নানা প্রতিবাদী স্লোগান, ‘মামা থেকে মাস্টার, মামাবাড়ির আবদার’, ‘এক হও এক হও, পলিটেকনিক এক হও’, ‘ষড়যন্ত্রের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘কুমিল্লায় হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দাও।’

এই মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন সপ্তম পর্বের শিক্ষার্থী মো. আশরাফুল আলম মিরাজ, মো. আফ্রিদি, জি. এম. বাইজিদ, তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী আহমেদ হ্যাপী এবং সপ্তম পর্বের শিক্ষার্থী উর্মি মিম।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমরা ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছি। বৃষ্টি আমাদের থামাতে পারেনি, থামাতে পারবে না। আমাদের দাবি মানতে হবে না হলে আন্দোলনের ধরন আরও কঠোর হবে।”
মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মূল ফটকে গিয়ে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং শেষ পর্যন্ত ক্যাম্পাসের ভেতরে গিয়ে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

পড়ুন : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলে সহায়তা করায় দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন