28.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১৮:১৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতা, ভেঙেছে বেড়িবাঁধ

টানা বৃষ্টিতে লালমনিরহাট, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্নস্থানে দেখা দিয়েছে জলজট। বেড়েছে ভোগান্তি। বিভিন্ন জায়গায় বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে নদীর পানি। ডুবেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-দোকানপাটও।

বিজ্ঞাপন

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে লালমনিরহাটের তিস্তা নদীতে পানি বেড়ে বিপৎসীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে। আকস্মিক পানি বাড়ায় জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার তিস্তা তীরবর্তি নিম্নাঞ্চলে, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে অনেক বাদাম ও ভুট্টাখেত। ডুবে গেছে আমন বীজতলা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, তিস্তার উৎপত্তিস্থল ভারতের সিকিমে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এ পানি বৃদ্ধি। পানি বাড়ায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টিতে জলজটের কবলে পড়েছে শহরবাসী। রাস্তাঘাট ডুবে বিপর্যস্থ জনজীবন। গত দুদিনের টানা বৃষ্টিতে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ডুবেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-দোকানপাটও।

এদিকে, সরকারি খাল, ড্রেনসহ সব জলাশয়ে বালি ফেলে ভরাট করায়, সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় পড়ে তীব্র ভোগান্তি পোহাচ্ছেন, নারায়ণগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের মানুষ।

কৃত্রিম বন্যার কবলে পড়ায় স্থানীয় ১০ হাজার বাসিন্দা রয়েছেন চরম বিপাকে। ৯ নং ওয়ার্ডের হাটাবো, ত্রিশকাহনিয়া, আটলাশপুর গ্রামসহ আশপাশের ৬ গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সরকারি খাল, পুকুর, ড্রেন, রাস্তাঘাট, বিল ও ফসলি জমি বালি ফেলে ভরাট করাও এই বিপত্তি।

অন্যদিকে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে পাহাড়ি জেলা রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিপাতের কারণে রোববার রাঙামাটি-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় থেকে মাটি ধসে পড়েছে। সড়ক ও জনপথ তাৎক্ষনিক ধসে পড়া মাটি অপসারণে কাজ করছে। এতে চট্টগ্রামসহ খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সঙ্গে যান চলাচল কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে।

এনএ/

দেখুন: টানা বৃষ্টি: গাজীপুরে ৩ জনের মৃ ত্যু, দেশজুড়ে বিপাকে মানুষ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন