26.5 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণে দিনব্যাপী কর্মশালা

বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষির উপরই নির্ভরশীল। দেশ কৃষি নির্ভর হওয়ায় দারিদ্র্য দূরীকরণ ও গ্রামীণ উন্নয়নে কৃষির এরুত্ব অপরিসীম। কৃষি রয়েছে বহুমাত্রিক কর্মক্ষেত্র, দিন দিন ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত হচ্ছে। কৃবির সাথে জড়িত অধিকাংশ জনগোষ্ঠী আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা সম্পর্কে খুব বেশি অভিজ্ঞ নয়। তাই কৃষি ক্ষেত্রে কাংখিত উন্নয়ন অর্জিত হচ্ছে না। কৃষি আমাদের অর্থনীতির একক বৃহত্তম উৎপাদনশীল খাত দেশের মোট জিডিপিতে যার অবদান প্রায় ১৮.৫% এবং এই খাতে দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৩% নিয়োজিত।

বিজ্ঞাপন

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ’ শীর্ষক দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. সালমা লাইজুর সভাপতিত্বে দিন ব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ির গ্রুপস উইংয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. হজরত আলী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় আগামী অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা। বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মোস্তফা কামাল স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নেত্রকোনার উপপরিচালক করিবিদ নুরুজ্জামান, শেরপুরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, জামালপুরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জাকিয়া সুলতানা, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলারন উপপরিচালক বক্তব্য রাখেন।

দিনব্যাপী কর্মশালায় বক্তারা বলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন আশানুরূপ হয়নি। ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা হ্রাস পাওয়া, অসাম বন্যা, পাহাড়ি ঢল, জলাবদ্ধতা, সেচ সমস্যা, অতি খরা, চরাঞ্চল, গ্রীস্মকালে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, মাটিতে পটাশের অভাব, ঝুঁকিপূর্ণ হাওড় রক্ষা বাঁধ, হাওড় এলাকায় এক ফসলী চাষ, দারিদ্রতা প্রভৃতি কারণে এই সকল জেলার গ্রামীন জনগোষ্ঠী বহুমাত্রিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়ছে, জমির উৎপাদনশীলতায় বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এই সকল জেলায় কৃষির আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসমূহ ব্যবহারে পরিমাণ অত্যন্তকম ফলে কৃবির কাঙ্খিত উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে না। জনগনের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দারিদ্র মুক্ত করার জন্য সীমিত ভূমি সম্পদের অধিকার কার্যকরী মূল চাবি কাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জনগনের সার্বিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সপ্তম-পঞ্চ বার্ষিকী পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও জাতীয় কৃমি নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বামার বাড়ির গ্রুপস উইংয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড, হজরত আলী বলেন ফসলের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এবং কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

আগামী অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ শীর্ষক দিন ব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালায় ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গইল এই ৬টি জেলার মোট ৬০ টি উপজেলায় এই প্রকল্পটি চালু রয়েছে। দিনব্যাপী এই কর্মশালায় কৃষি বিজ্ঞানী, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জেলা, উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা ৩ আদর্শ কৃষক এবং গনমাধ্যমের কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন: ঝিনাইদহ-শৈলকূপা ইউনিয়ন পরিষদে তালা দেওয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ আটক ৬

দেখুন: সত্যি কি রোদের তাপে ডিম ভাজা যাচ্ছে! |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন