১১/০২/২০২৬, ১৬:২৩ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ১৬:২৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার মে দিবসের সমাবেশে বড়-শোডাউনের লক্ষ্য বিএনপির

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের করবে বিএনপি। আর সমাবেশকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এতে বড় ধরণের শোডাউনের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দলের নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুন টানানো, মাইকিং করাসহ নানা কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছে।

বৃহস্পতিবার (১ মে) দুপুর ২টায় নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক সমাবেশ হবে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে আমরা বিষয়টি অবহিত করেছি।

সমাবেশ থেকে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল তাদের ১২ দফা দাবি তুলে ধরবে জানিয়ে রিজভী বলেন, শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে রাজধানীতে ১২ দফা দাবির লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে, প্রচার-প্রচারণা চলছে। ব্যানার-ফেস্টুন করা হয়েছে।

শ্রমিক দলের এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খানসহ সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেবেন।

শ্রমিক দিবসের এই সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে কয়েক দফায় প্রস্তুতি সভা করেছে ঢাকা মহানগর বিএনপি। এছাড়া দলের অন্যান্য সংগঠনগুলোকে সমাবেশে সর্বোচ্চ জমায়াতে করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মহানগর ও বিভিন্ন থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সময়মতো উপস্থিত হওয়ার জন্য।

ঢাকা ছাড়াও আশপাশের জেলার নেতাকর্মীরা এবং শিল্পাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা এই সমাবেশে অংশ নেবে বলেও বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে শ্রমিক সমাবেশের মাধ্যমে বড় শো-ডাউন করতে চায় বিএনপি।

আগামীকালের সমাবেশ বড় শো-ডাউনের লক্ষ্যে রাজধানীতে মাইকিং করতে দেখা গেছে। নয়াপল্টন, গুলশান, বাড্ডাসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সারাদিন মাইকিং করতে দেওয়া গেছে বিএনপিকে। সবাইকে সমাবেশে যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয় মাইকিং করে।

শায়রুল কবির খান জানান, আগামীকাল স্মরণকালের সেরা শ্রমিক সমাবেশ হবে। কারণ ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পতন ও পালিয়ে যাওয়া পর বিএনপির তাদের ওপর যে জুলুম নিপীড়ন ছিল সেখান থেকে শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা এখন স্বস্তিতে আছেন। দ্বিতীয়ত, বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে লুটপাটের মধ্যে শ্রমিক শ্রেণীর জীবনমানের কোনো উন্নতি না হয়নি। এবার তাদের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে আগামী দিনে কিছুটা পরিবর্তন আসবে। এই প্রত্যাশা থেকে উপস্থিতি বাড়বে। যা লাখ লাখ মানুষের সমাবেশে পরিণত হবে আশা করছি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শিগগিরই ফিরছেন খালেদা জিয়া, প্রস্তুত হচ্ছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন