১৭/০২/২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
20 C
Dhaka
১৭/০২/২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির দাবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন পিরোজপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে  তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও নেতৃত্ব নতুন প্রজন্মের জন্য পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি। রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ও নেতৃত্বে উত্থান ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর বেগম খালেদা জিয়া সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। রাজনীতিতে তা এই আগমন ছিল আকস্মিক হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি গণমানুষের আস্থা ও সমর্থন অর্জন করেন।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অন্যতম প্রধান নেতৃত্ব। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচার পতনে তাঁর দৃঢ় অবস্থান ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আরও দুই দফা তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর শাসনামলে শিক্ষা,নারী শিক্ষার উন্নয়নে অনন্য অবদান শিক্ষা-অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতি, নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, যা দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা আপসহীন গণতান্ত্রিক অবস্থান বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। দীর্ঘ সময় কারাবরণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।

দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন, ইতিহাসকে নিরপেক্ষ ও সত্যভিত্তিকভাবে তুলে ধরতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম, রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর ভূমিকা শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

অনুষ্ঠান শেষে মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনের ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনকে বৈধ ঘোষণা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন