ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে তূর্যধ্বনি এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা। দুঃসময়ে, দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি ছিলেন সাহস, শক্তি ও আশার প্রতীক। গণতন্ত্রের জন্য তাঁর আজীবন সংগ্রাম জাতির স্মৃতিতে চিরন্তন হয়ে থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে কাইমপুর ইউনিয়নের জাজিসার মধ্যপাড়া খেলার মাঠে আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনার কুশাসনের আমলে জীবনবাজি রেখে আপনাদের পাশে ছিলাম; ভবিষ্যতে ও আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকব। প্রান্তিক মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা নিয়ে বেগম জিয়া পরপারে চলে গেলেও তিনি আমাদের সংগ্রামের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।
এসময় তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে জিয়া পরিবারের অবদান তুলে ধরে বলেন, জিয়া পরিবার দেশের রাজনৈতিক মোড়-ঘোরানো মুহূর্তগুলোতে বারবার বীরোচিত ভূমিকা রেখেছে। তাই মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন আজ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, আমরা এই দলের পাশাপাশি দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে সারাজীবন কাজ করে যাবো।”
বিএনপির দুঃসময়ের রাজনীতির চিত্র তুলে ধরে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া বলেন, বিএনপির চরম দুঃসময়ে আমরা মাঠে ছিলাম। ভবিষ্যতেও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপির সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করব এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমুখী, শক্তিশালী ভূমিকা রাখব।
কাইয়ুমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফখর উদ্দীন আহমেদ খান, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক স্বপন, আখাউড়া পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, কসবা পৌর বিএনপির সভাপতি শরীফুল ইসলাম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুম খান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদদীন, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি বসির চৌধুরী, সহ সভাপতি ওমর ফারুক, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক মোখলেসুর রহমান সহ কসবা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, কাইমপুর ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাএদল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত, দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, সেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এতে অংশগ্রহণ করেন।
পড়ুন : দেড়শো বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা


