ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র, মানবাধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, ছিলেন বাংলাদেশের জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের ইতিহাস। এই জাতি তাঁর অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রদূত এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কোরআন খানি ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
বিকালে কসবা-আখাউড়ার জননন্দিত নেতা, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত চূড়ান্ত প্রার্থী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সংগঠক আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার নিজ বাসভবনে এক কোরআন খানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিকাশ ও উত্থান ওতপ্রোতভাবে জড়িত। স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও নির্বাচনব্যবস্থার উন্নয়ন—প্রতিটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি ছিলেন সাহসী, দৃঢ় ও পথপ্রদর্শক নেতা।
বক্তারা আরও বলেন, “বেগম জিয়ার নেতৃত্বে দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে বহুবার সোচ্চার হয়েছে, অর্জন করেছে অধিকার রক্ষার শক্তি। তাঁর অবদান ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে।”
দোয়া মাহফিলে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি দেশের শান্তি, স্থিতি, গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও জনগণের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, বেগম জিয়ার আদর্শ ও স্মৃতিকে ধারণ করে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার চলমান আন্দোলন আরও বেগবান হবে। তাঁরা বেগম জিয়ার ‘অসমাপ্ত সংগ্রাম’কে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
পড়ুন: যে সব অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ আরও বাড়বে
দেখুন: রাজ-মিমের পরকীয়ার গুঞ্জন! অগ্নিশর্মা পরী; কী বললেন মিম
ইম/


