বেরোবিতে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি চলমান রাখার অভিযোগ করে প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার রুমে প্রতীকি প্রতিবাদ হিসেবে শাড়ী চুড়ি দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
আজ রবিবার (২০ জুলাই) বিকেলে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রথমে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ও ছাত্র উপদেষ্টা রুমে গিয়ে তাদের আসনে শাড়ি ও টেবিলের চুরি রেখে রেখে আসেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সুমন নামে শিক্ষার্থী বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এই ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি ছিল ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ কার্যকর করা এবং লেজুর ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ ঘোষণা করা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তীতে প্রশাসন ১০৮ তম সিন্ডিকেট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেজুর ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে সেই সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন লেজুর ভিত্তিক ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাসে কমিটি দেওয়া থেকে শুরু করে সদস্য ফরম বিতরণ করছেন। এর ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এরই প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রতীকি প্রতিবাদ হিসেবে শাড়ি ও চুরি দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শওকত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫ একর জমির মধ্যে যদি কেউ কমিটি গঠন বা নতুন কোন কমিটি গঠনের পায়তারা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রথমত শোকজ করা হবে। পাশাপাশি তিনি আরো বলেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লেজুর ভিত্তিক রাজনীতি করলে সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ ছাত্রত্ব বাতিল করা হবে জানান তিনি।
অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে শাড়ি চুরি ও দেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল। বিক্ষোভ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাশেদ মন্ডল এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান । পাশাপাশি যে সকল শিক্ষার্থীরা আজ প্রশাসনকে শাড়ি ও চুরি দিয়ে মায়ের জাতিকে নিয়ে অপমান করেছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে বহিষ্কারের আহ্বান জানান।
পড়ুন : সড়ক সংস্কারে গাফিলতিঃ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের গায়েবানা জানাজা আদায় করলেন ক্ষুব্ধ সাতমাথাবাসী


