বিজ্ঞাপন

বোদায় বছরের পর বছর অনুপস্থিত থেকে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সায়েদ মনজুরুল হাসান (সুজা) গত ২০২৪ সালের আগস্ট মাস থেকে বিদ্যালয়ে না গেলেও ২০ মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন তিনি।বিষয়টি বিদ্যালয় থেকে বার বার ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানালেও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে উদ্বেগ আর হতাশা ব্যক্ত করেছেন শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞাপন


সরজমিনে বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক সায়েদ মনজুরুল হাসান সুজাকে পাওয়া যায়নি।এ সময় সহকারী প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম শিক্ষক হাজিরা খাতা দেখাতে অপরাগতা প্রকাশ করলেও জানুয়ারী ২৫ তারিখের পরে, প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষর না করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বিদ্যালয়ে না আসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ও নিয়মিত বেতন নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ইএফটিতে বেতন হওয়ায় প্রতিষ্ঠান প্রধান ছাড়া আর কেউ বেতন কাটতে পারবেনা।হাজিরা খাতায় কিভাবে কখন স্বাক্ষর হয়েছিল তা জানা নাই।যেহেতু অফিসের চাবি প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারীর কাছে থাকে।


বিদ্যালয়ের তথ্যমতে, ২০ জন শিক্ষক,৭ জন কর্মচারী ও প্রায় ৯৩৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে প্রতিষ্ঠানে।


সহকারী শিক্ষক নরেশ চন্দ্র বলেন,আমরা সকালে আসি ক্লাশ নিয়ে বিকালে চলে যাই।কে আসলো না আসলো আমাদের দেখার বিষয় না।
অভিযোগ রয়েছে, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিদ্যালয়ে যায়নি প্রধান শিক্ষক।প্রতিমাসের শেষের দিকে জনৈক কর্মচারী হাজিরা খাতা নিয়ে দেবীগঞ্জে গিয়ে স্বাক্ষর করে আনেন।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সায়েদ মনজুরুল হাসান সুজার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
বোদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.আইবুল হক বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিদ্যালয় পরিদর্শন করে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।


বোদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রবিউল ইসলাম বলেন,খোঁজ নিয়ে দেখি, যদি অনুপস্থিত থেকে বেতন ভাতা নেয় এটা বিধি বহির্ভূত। খুব তাড়াতাড়ি তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।

পড়ুন- ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়লো ৩৮৭ টাকা

দেখুন- সীতাকুণ্ডে ১৫ মাসে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে অপরাধের মাত্রা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন