১৪/০১/২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ
15 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহরে প্রকাশ্যে গুলি, দু’জন গুলিবিদ্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রকাশ্যে গুলিতে দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা পৌণে সাতটার দিকে পৌর এলাকার কান্দিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দু’জন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে ছুটে যায়।

আহত টুটুল মিয়ার পায়ে ২০-২৫টি রাবার বুলেট ও শিহাব উদ্দিনের হাত-পায়ে কয়েকটি গুলি রয়েছে। তবে চিকিৎসক জানিয়েছে দু’জনই শঙ্কামুক্ত। অবশ্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়তে পারে বলে তাৎক্ষনিকভাবে ধারণা পাওয়া যায়।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, কান্দিপাড়ার মাদরাসা রোডে পপুলার প্রেসের সামনে দাঁড়িয়ে চা পান করছিলেন ওই এলাকার টুটুল মিয়া। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে তার ডান পায়ে ছররা গুলি লাগে। আহত হন পাশে থাকা শিহাব উদ্দিন নামে আরো একজন।

আহত টুটুল মিয়া বলেন, ‘দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় শাকিল নামে একজন তাকে গুলি করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।’ তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময়ে শাকিলের বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদ করা হতো বলে সে এ কান্ড ঘটায়।

আহত শিহাব উদ্দিন জানান, তিনি টুটুল মিয়ার পাশেই দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই টুটুল মিয়াকে গুলি করা হলে তার হাতে ও পায়ে গুলি লাগে। কি হয়েছে বলে এগিয়ে গেলে তাকেও গুলি করতে উদ্যত হয় ওই ব্যক্তি। পরে তিনি সরে যান।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূর ইবনে বিন সিফাত জানান, একজনের পায়ে ২০-২৫টির মতো রাবার বুলেট রয়েছে। তবে দু’জনই শঙ্কামুক্ত। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে জানান, আধিপাত্য বিস্তার নিয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে পারস্পরিকভাবে তিনি জানতে পেরেছেন। কিভাবে কি ঘটেছে সেটা জানার চেষ্টা চলছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে পিস্তল বের করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যুবলীগ নেতার স্ত্রীর হুমকি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন