২১/০২/২০২৬, ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ
20.8 C
Dhaka
২১/০২/২০২৬, ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেঘনা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলা, ইউএনওকে অপহরণের চেষ্টা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপর হামলা করে ড্রেজার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে আশুগঞ্জ থানায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা বিএনপির ভাইসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ্য করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে ইউএনওকে অপহরণের চেষ্টার।

বিজ্ঞাপন

অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাফে মোহাম্মদ ছড়া জানান, মেঘনা নদীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের ভৈরব অংশে পৃথক দুটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হয়েছে। আমি ও ভৈরবের ইউএনও তাদেরকে সীমানা ইতিমধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছি। অভিযোগ ছিল আশুগঞ্জের চরসোনারামপুর এলাকায় জাতীয় গ্রিডের বৈদ্যুতিক টাওয়ারের কাছাকাছি ড্রেজারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে রাতের আধারে। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোন স্থাপনার এক কিলোমিটারের ভেতরে কেউ বালু উত্তোলন করতে পারবেন। সেই তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে আমার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করলে সেখানে সত্যতা পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ভৈরবের ইজারাদার আশুগঞ্জের অংশে বৈদ্যুতিক টাওয়ারের কাছে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছিল। এসময় ইজারাদারের ৫টি ড্রেজার ও ৫ টি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। পাশাপাশি দুজনকে একবছর করে সাজা প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত থেকে ফেরার পথে ইজারাদার ও ভৈরব উপজেলা বিএনপির ভাই তারেকের নেতৃত্বে ৭/৮ জন স্পীডবোট দিয়ে এসে আমি যে ড্রেজারে ছিলাম সেটি সহ অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে ড্রেজারের সাথে লাগানো স্পীডবোট দিয়ে এসে পড়ি। তারা জব্দ করা একটি ড্রেজার ও দুটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনা আমরা আশুগঞ্জ থানায় মামলা জমা জমা দিয়েছি।

আশুগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হেনা মোহাম্মদ মোস্তফা রেজা জানান, আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন থেকে ৭জনের নাম উল্লেখ করে একটি এজহার জমা দেওয়া হয়েছে। তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন: কসবায় মাটির নিচ মিললো অবিস্ফোরিত মর্টারসেল

দেখুন: পঞ্চগড়ে বিষ প্রয়োগে বাঘের মৃত্যুর অভিযোগ

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন