২৫/০২/২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
23.2 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভাঙেনি গৃহায়নে অসাধু কর্মকর্তাদের সিন্ডিকেট

একের পর এক জাল দলিল তৈরি করে প্লট হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অসাধু কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে । অথচ এসব দেখেও নির্বিকার কর্তৃপক্ষ । দিলেন অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস । অবৈধ জাল দলিল নথি এসেছে নাগরিক টিভির হাতে ।

বিজ্ঞাপন

স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর মিরপুরে এই বাড়িটিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন মোহাম্মদ আব্দুর রউফ। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর জাতীয় গৃহায়ণ থেকে প্লটটি বরাদ্দ পায় মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী। এরপর সেটি একত্রিশ হাজার টাকায় কিনে নেয় আব্দুর রউফ।

কিন্তু জটিলতা বাঁধে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে। একই প্লট বরাদ্দ দেখানো হয় রওশন আরা খানমের নামে । কিভাবে সেটি সম্ভব? আমরাও জানতে চাই!

এসবের কারণ খুঁজতে নাগরিক টিভি হাজির হয় রাজধানীর তেজগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসে। রেজিস্ট্রার জানায়, তিনি প্লটটি নতুন করে রেজিস্ট্রি করে দিলেও জানেনা বরাদ্দের বিষয়টি ।

এবারের গন্তব্য জাতীয় গৃহায়ন ভবন, রাদ্দকৃত প্লট কিভাবে ই্যসু হলো অন্যের নামে, এসবের বিষয়ে ভূমি ও সম্পত্তি বিভাগের পরিচালকের জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরা দেখে রুম থেকে বের হয়ে যান ।

অভিযোগ আছে, জাল দলিল ব্যবহার করে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের এমন আরো বেশ কয়েকটি প্লট হাতিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির একদল অসাদু কর্মকর্তা । যার পেছনে কাজ করছে উপপরিচালক মোহাম্মদ মুশফিকুল ইসলাম, অফিস সহকারী মোস্তফা কামাল শাহিন । যদিও এসব বিষয় অস্বীকার করেন তারা ।

এছাড়াও মোস্তফা কামাল শাহীনের নামে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীতির মাধ্যমে জ্ঞাওআয় বহির্ভত সম্পদ অর্জনে অভিযোগ আছে দুদকে । একাধিক গণমাধ্যমেও তা উঠে এসেছে বারবার ।

এদিকে, জাল দলিল ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় প্লট বেহাতের কথা স্বাকীর করলেন চেয়ারম্যান নিজেই । যদিও এই বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হয়নি তিনি ।

জাল দলিল ব্যবহার করে বছরের পর বছর পকেট ভরছে সংঘবদ্ধ একটি চক্রের । এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, বেহাত হচ্ছে অসংখ্য প্লট । তাই ভুক্তভোগীদরে চাওয়া দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হোক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন