বিজ্ঞাপন

ভাড়া বাসা ছাড়লেও পিছু ছাড়েনি লিমন: অপহৃতাকে ময়মনসিংহ থেকে উদ্ধার

কুমিল্লার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা চাঞ্চল্যকর অপহরণ মামলার এক কিশোরী ভিকটিমকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪)।

বিজ্ঞাপন

রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এরআগে এদিন দুপুরে উপজেলার পালাহার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের দেওয়া এজাহার সূত্র ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভিকটিমের পরিবার আগে অভিযুক্ত মো. লিমন মিয়ার বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করত। সেখানে থাকাকালীন বখাটে লিমন ওই কিশোরীকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত। মেয়ের পরিবার বিষয়টি লিমনের অভিভাবককে জানালেও তারা কোনো সন্তোষজনক সমাধান বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

মেয়ের নিরাপত্তার কথা ভেবে এবং বখাটেপনা থেকে বাঁচতে ভিকটিমের পরিবার লিমনের বাসা ছেড়ে নিজেদের স্থায়ী ঠিকানায় চলে যায়। সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি করানো হয়।

ভাড়া বাসা ছেড়ে দিলেও বখাটে লিমন তাদের পিছু ছাড়েনি। স্থায়ী ঠিকানায় গিয়েও সে ওই কলেজছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। একপর্যায়ে গত ৩ ফেব্রুয়ারি মেয়েটি বাড়ির অদূরে গেলে লিমন ও তার অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করেন।

মামলার সূত্র ধরে ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ (রবিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিপিএসসি, র‌্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি আভিযানিক দল ঈশ্বরগঞ্জ থানার পালাহার এলাকায় আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অপহৃত ওই কিশোরীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন র‍্যাব সদস্যরা।

র‍্যাব জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার জন্য ইতোমধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার (আইও) নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ অভিযানে অভিযুক্ত লিমনকে আটকের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু জানানো হয়নি।

পড়ুন:চুয়াডাঙ্গায় ফুয়েল কার্ডে দেওয়া হবে জ্বালানি তেল

দেখুন:গাজীপুরে জ্বালানি তেল মজুতকারীদের কঠোর হুশিয়ারি দিলেন এমপি রনি |

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন