বিজ্ঞাপন

ভোজ্যতেলের বাজার স্বাভাবিক হয়নি

রাজধানীর বাজারে এখনও ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। কোনো কোনো দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল আছে, তবে খোলা সয়াবিন নেই। আবার কোথাও খোলা সয়াবিন পাওয়া গেলেও মিলছে না বোতল। এই টানাপোড়েনে দুই ধরনের তেলের দরই বেড়েছে। বোতলজাত তেল লিটারে বেড়েছে দুই থেকে তিন টাকা, আর খোলা তেল পাঁচ থেকে আট টাকা। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নাখালপাড়া, তেজকুনিপাড়াসহ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

গত সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে, তেলের দাম বাড়বে না। বাস্তবে বাজারে সেই চিত্র দেখা যায়নি। 

বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে পাঁচ লিটার বোতলের। ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে খুচরা বাজারে এই রকম বোতলের সরবরাহ কম রয়েছে। সম্প্রতি সরবরাহ আরও কমেছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, তারা ১০ কার্টন (পাঁচ লিটারের চারটি বোতল) চাইলে কোম্পানিগুলো দিচ্ছে দুই বা তিন কার্টন। পাশাপাশি দামও নিচ্ছে বেশি। পাঁচ লিটারের বোতলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯৫৫ টাকা। সপ্তাহখানেক আগেও ডিলার থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা পাঁচ লিটারের বোতল কিনতে পারতেন ৯২০ থেকে ২৫ টাকায়। তারা ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করতেন ৯৩০ থেকে ৯৫০ টাকা দরে। এখন খুচরা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৯৪২ থেকে ৯৫০ টাকা। ফলে ভোক্তার কাছে তারা ৯৫৫ টাকায় বিক্রি করছেন। তবে কোথাও কোথাও ৯৬০ টাকায় বিক্রি করতেও দেখা গেছে। অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে বিক্রেতাদের কাছ থেকে কেউ কেউ পাঁচ টাকা বেশি নিচ্ছেন।

কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, কয়েক দিন ধরে তেলবাহী ট্রাক আসছে না বলে জানিয়েছেন ডিলাররা। কোম্পানিগুলো তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার কারণে বাজারে টান পড়েছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দামে। যদিও আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কেউ কেউ বলছেন, ডিজেল সংকটে তেলবাহী পরিবহন পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ছে। এ কারণে তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটছে। 

তেজকুনিপাড়ার সুমা জেনারেল স্টোরের বিক্রয়কর্মী মো. শুভ সমকালকে বলেন, কোম্পানিগুলো বোতল দিচ্ছে কম। ১০ কার্টন (বোতলজাত) তেল চাইলে ডিলাররা দেয় তিন কার্টন। লিটারে তিন থেকে চার টাকা করে দামও বাড়িয়েছে তারা।

কারওয়ান বাজারের তুহিন জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. রায়হান বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে পাঁচ লিটারের বোতল কেনা লাগে ৯৫০ টাকায়। এই টাকা বিনিয়োগ করে ১০ টাকা লাভ না করলে তো ব্যবসা চলবে না। 

পড়ুন:স্বর্ণের ভরি পৌনে ৩ লাখ ছুঁই ছুঁই

দেখুন:মাদারীপুরে ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন