বিজ্ঞাপন

ভোজ্যতেলের তীব্র সংকটে রাজধানীর বাজার

ভোজ্যতেলের তীব্র সংকটে পড়েছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার। কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার পাঁচভাগের একভাগে নেমেছে সরবরাহ। একে আবারও দাম বৃদ্ধির কৌশল হিসেবে দেখছেন ডিলার-বিক্রেতারা।

কারওয়ানবাজার, শান্তিনগর, রামপুরা, বাড্ডা, মহাখালীর বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি দোকান ঘুরে ভোজ্যতেল পাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে চাহিদার কম তেল কিনতে হচ্ছে। এ অবস্থায় দাম আরও বৃদ্ধি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

এদিকে সরবরাহে টান পড়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। তাদের হিসাব মতে, দৈনিক যে পরিমাণ সয়াবিন পামতেলের চাহিদা, তার ৫ শতাংশের এক শতাংশ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। শুধু তাই নয়, কোম্পানিগুলো কমিয়ে দিয়েছে কমিশনও। ফলে দৈনন্দিন বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

গেল ঈদের পর থেকেই চাহিদা মতো এই নিত্য পণ্যের সরবরাহ মিল থেকে মিলছে না বলে জানান ডিলাররাও। অভিজ্ঞতা মিলিয়ে একে আরেক দফা দাম বৃদ্ধির পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

ঈদের পর থেকে এরই মধ্যে খোলা সয়াবিন ও পামতেলের দাম বেড়েছে লিটারে ১০ থেকে ২০ টাকা। প্রতি কেজি খোলা তেল লিটার প্রতি ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার ১৯৫ টাকা।

বোতলের চেয়ে খোলা তেলের দাম কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের। এতে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা। অতিরিক্ত দামে বিক্রি বন্ধে সরকার হুঁশিয়ার ঘোষণা দিলেও বাজার বাস্তবতায় আমদানিকারকদের হাতে জিম্মি ভোক্তাদের কিনতে হচ্ছে বেশি দামেই।

জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা তেলের দাম বাড়ানোর জন্য বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে একধরনের সংকট তৈরি করেছেন। তারা প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১২ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন সরকারের কাছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ২০৭ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৫ টাকা। এ ছাড়া ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১ হাজার ২০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমানে ৯৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮৫ টাকা, পাম তেল বর্তমান নির্ধারিত দাম ১৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১৭৭ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন না দিলেও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে খোলা তেল।

ভোক্তাকে জিম্মি করে ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়নের শুরু ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এমন তথ্য দিয়ে ক্যাব বলছে, প্রতিবছর এই সময়ে এসে হঠাৎ বাজারে কমে যায় সরবরাহ, তারপরই আসে কোম্পানিগুলো থেকে আসে ক্রেতার পকেট কাটার প্রস্তাব। সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকারও বাধ্য হন তাদের দাবি মেনে দাম বাড়াতে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সোনালী মুরগি ৪৩০, ব্রয়লারও বাড়তির পথে,ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া !


বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন