২৮/০২/২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
19.7 C
Dhaka
২৮/০২/২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভোটের মাঠে চমক দেখাচ্ছেন কিরনপত্নী লাবণ্য

শরীয়তপুর-২ সংসদীয় আসনটি গঠিত নড়িয়া উপজেলা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানা নিয়ে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরন।

বিজ্ঞাপন

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রার চমক যোগ করেছেন তাঁর সহধর্মিণী ফারহানা কাদির লাবণ্য।

স্বামীর পক্ষে গণসংযোগে নেমে অল্প সময়ের মধ্যেই রাজনীতির মাঠে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন তিনি। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে চলছেন দিন-রাত এক করে। পথসভা, উঠান বৈঠক আর সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন লাবণ্য। বলা যায়, এই আসনের নির্বাচনী ইতিহাসে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

প্রতিদিনই একের পর এক উঠান বৈঠকে নারীদের সঙ্গে কথা বলছেন, তরুণ ভোটারদের সঙ্গে মত বিনিময় করছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিয়মিত ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন তিনি। যেখানে যাচ্ছেন, সেখানেই জমে উঠছে জনসমাগম। তাঁর সাবলীল বক্তব্য, সহজ ভঙ্গি ও আন্তরিক উপস্থিতি ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছে।

এদিকে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শফিকুর রহমান কিরনকে ঘিরে দলীয়ভাবে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকলেও, তৃণমূলে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন ফারহানা কাদির লাবণ্য। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

এ বিষয়ে ফারহানা কাদির লাবণ্য বলেন,
“নড়িয়া ও সখিপুরের মানুষের ভালোবাসায় আমি সত্যিই অভিভূত। একজন গৃহবধূ হিসেবে মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের কথা শোনার সুযোগ পাচ্ছি। আমার স্বামীর পাশে থেকে এই এলাকার মানুষের সেবা করতে চাই এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে কাজ করতে চাই।”

নির্বাচনী মাঠে কিরনপত্নী লাবণ্যের এই সরব উপস্থিতি শেষ পর্যন্ত ভোটের সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে—সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটাররা।

পড়ুন- যমুনা অভিমুখে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ

দেখুন- ‘আগে গেজেট পরে নির্বাচন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন