১০/০২/২০২৬, ৩:৪৪ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ৩:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভোলায় ছাত্রদল নেতার হত্যার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

ভোলায় ছাত্রদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার (৩ জানুয়ারি) ভোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নিহতের মা ইয়ানুর বেগম।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ২৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে অভ্যর্থনা জানানোর উদ্দেশ্যে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তার ছেলে সিফাত হাওলাদার বাড়ি থেকে বের হন।

ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাড়ির পাশেই আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সিফাতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিহত সিফাত হাওলাদার ভোলা রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী োছিলেন। আগে অভিযুক্তদের কয়েকজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে তারা জাতীয় পার্টি ও সংশ্লিষ্ট কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে হত্যাকারীরা বিভিন্নভাবে পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিহতের মা বলেন, “আমার সন্তানের হত্যার প্রতিবাদে গত ২৯ ডিসেম্বর জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হলে নতুন বাজার এলাকায় জাতীয় পার্টির মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা বাধা দেয়। এরপর থেকেই আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

তিনি অবিলম্বে সিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং বিষয়টি তদন্তে প্রধান উপদেষ্টাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- ঝিনাইদহে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

দেখুন- ‘আল্লাহ স্বাক্ষী, ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করিনি’ 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন