বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৬ তলা থেকে লাফ দেন তিনি।
নিহত মৌসুমী আক্তার জেলার তারাকান্দা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের ওয়াজেদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সকালে হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে চিকিৎসা নিতে আসে মৌসুমী আক্তার। একপর্যায়ে নতুন ভবনের ৬ তলায় উঠে লাফ দেয় ওই তরুণী। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বলেন, মৌসুমী গত দেড় বছর যাবত মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় রয়েছে। তাকে নিয়মিত চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করা হয়। তবে গত পাঁচ দিন যাবত আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে আজ সকালে মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, আমি ভালুকায় অবস্থিত স্কয়ার মাস্টারবাড়িতে স্কয়ারে চাকরি করি। বোন হাসপাতাল থেকে লাফিয়ে মারা গেছে খবর পেয়ে হাসপাতালে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, ওই তরুণী নিজে থেকেই পড়ে গিয়ে মারা গেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পুলিশকে বলা হয়েছে।
পড়ুন- ঈদযাত্রায় ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ, শতভাগ অনলাইনে
দেখুন- ঝালকাটিতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক


