০২/০৩/২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ
22.9 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বইছে পুরোদমে নির্বাচনী হাওয়া।

বিজ্ঞাপন

এলাকার সাধারণ ভোটারদের মতে এবারের ত্রিশালে ধানের শীর্ষ প্রার্থী ডা: মাহবুবুর রহমান লিটন বিএনপিতে গ্রুপিং না থাকায় শক্ত অবস্থায় এগিয়ে আছেন। নির্বাচনী ময়দানে আলোচনার তুঙ্গে রয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থী লিটন।

ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন (বিএনপি): দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও েনদ্দয় ্রনোীয়নী বিএনপির নির্বাহি কমিটির অন্যতম সদস্য। বিএনপির প্রার্থী ডা. লিটন একজন ‘ক্লিন ইমেজ’ নেতা হিসেবে পরিচিত। অতীতের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও দলের সুসংগঠিত শক্তির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে ত্রিশালের সাধারন মানুষদের সাথে নিয়ে উন্নয়ন মুলক কাজ করে মডেল ত্রিশাল গড়ে তুলবেন।

আসাদুজ্জামান সোহেল (জামায়াতে ইসলামী): তিনি মহানগর জামায়াতের ননায়েবে আমির ।জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীর রয়েছে শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি ও নিজস্ব ভোট ব্যাংক। তাঁর শৃঙ্খলিত প্রচারণা এবং ব্যক্তিগত ইমেজ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।তিনি নির্বাচিত হলে ইনসাফের শাসন কায়েম করবেন। এলাকার উন্নয়নে জনগনের মতামতের ভিত্তিত্বে কাজ করবেন।

মাহাম্মদ আনোয়ার সাদাত (স্বতন্ত্র): সাবেক এমপি মরহুম আব্দুল খালেকের পুত্র ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। আনোয়ার সাদাত (কাপ-পিরিচ প্রতীক) বাবার রাজনৈতিক ইমেজ এবং নিজে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর জনগনের কাছে গ্রহনযোগ্যতা পেয়ে মাঠে বেশ সক্রিয়। পৈতৃক জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সংযোগের ওপর ভর করে তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
আনোয়ার বলেন আমাকে জনগন ভোট দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিল। সারা বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ভেঙ্গে দেওয়ায় জনগনের কোন কাজ করতে পারিনি। তাই এবার স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হয়েছি জনগন ও এলাকার উন্নয়ন করার জন্য । ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ (হাতপাখা) নৈতিক সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তিনি বলেন মানুষ পরিবর্তন চায়। তাই আমি আশাবাদী জনগন ন্যায় সত্যের পক্ষে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবে।

সাধারণ ভোটাররা এবার প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব ও অতীতের কাজের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। ত্রিশাল পৌরসভার ভোটার তাফাজ্জল হোসেন বলেন:

“আমরা কোনো ফাঁকা বুলি চাই না। আমরা এমন প্রতিনিধি চাই যিনি আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন এবং এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করবেন।”

তরুণ ভোটার মোঃ সুমন মিয়া জানান, “যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বই পারে আমাদের এলাকায় সত্যিকারের শান্তি ও ইনসাফ কায়েম করতে। আমরা সৎ ব্যক্তিকেই এবার বেছে নেব।”

বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপি প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন বলেন, “ত্রিশালের মানুষ পরিবর্তন চায়। ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তা প্রমাণ করে মানুষ শান্তি ও গণতন্ত্রের পক্ষে। আমি বিজয়ী হলে ত্রিশালকে একটি আধুনিক, বৈষম্যমুক্ত ও বেকারত্বমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।”
জামায়াতের প্রার্থী সোহেল জানান : সত্য ন্যায়ের অধিকার বৈষম্যবিহীন সমাজ গঠন ও ইন্নয়ন হবে আমার অঙ্গিকার।

অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার সাদাত জানান, তিনি ত্রিশালের ঐতিহ্য রক্ষা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জনগনের সেবা এলাকার ইন্নয়ন হবে আমার পথচলা।
প্রশাসনের সতর্ক অবস্থান

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে স্থানীয় প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকীর নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ টিম মাঠে কাজ করছে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ ও র‍্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।সাধারন ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোট দিতে পারবে।

পড়ুন- রূপগঞ্জে দিপু ভুঁইয়াকে ধানের শীষে ভোট চেয়ে ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি’র গণসংযোগ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন