কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের ফকিরজুম পাড়া, আঁধার ঘোনা ও মিজ্জির পাড়ার দুর্গম পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে র্যাব-১৫।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এই অভিযানে র্যাব, নৌবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযানে সন্ত্রাসীদের অন্তত পাঁচটি টংঘর ভেঙে দেওয়া হয় এবং ১০টি দেশীয় অস্ত্র, কার্তুজ ও রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়। তবে সুবিশাল পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেওয়া দাগী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
স্থানীয়দের মতে, সাগরবেষ্টিত এই পাহাড়ি দ্বীপে একপাশে অভিযান শুরু হলে সন্ত্রাসীরা অন্যপ্রান্তে সরে যায়। তাই ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চিরুনি অভিযান চালালে সন্ত্রাসীদের আটক ও অস্ত্র কারখানা ধ্বংস সম্ভব হবে।
শহীদ তানভীর ছিদ্দিকীর বড় ভাই মিজানুর রহমান মাতাব্বর জানান, তার ভাই ও চাচার হত্যার আসামীরা গডফাদার তারেক, নোমান, লম্বা তারেক ও কালাবদারের নেতৃত্বে পাহাড়ে টংঘর তৈরি করে অস্ত্রের কারখানা গড়ে তুলেছিল।
র্যাব-১৫ অধিনায়ক কামরুল হাসান বলেন, অস্ত্র উদ্ধার ও আস্তানা ধ্বংসের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত পাহাড়ে চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্বীপজুড়ে এ অভিযানে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ র্যাবের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
পড়ুন: পানছড়ির রেজামনি পাড়ায় সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করেছে সেনাপ্রধান
দেখুন: জেনিন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, দুই দিনে নি হত ১২
ইম/


