০১/০৩/২০২৬, ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ
18.9 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মহেশপুরে বাথানগাছি যুবসংঘের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ

“রক্তের অভাবে হারাবে না প্রাণ, স্বেচ্ছায় করি রক্তদান”—এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাথানগাছি আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৮ই জুন)সকাল থেকেই বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হতে থাকেন আশপাশের গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ। কারো হাতে ছোট শিশু, কারো মুখে কৌতূহল। সবার আগ্রহ—নিজের রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়া। আয়োজক সংগঠন বাথানগাছি যুবসংঘ ব্লাড ফাউন্ডেশন জানায়, এই আয়োজনের উদ্দেশ্য একদিকে সচেতনতা তৈরি, অন্যদিকে একটি রক্তদাতা তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা।

ক্যাম্পেইনে ব্লাড গ্রুপের দায়িত্ব পালন করেন স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা। স্বাস্থ্যকর্মী মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমাদের সমাজে অনেকেই নিজেদের রক্তের গ্রুপ জানেন না। দুর্ঘটনা বা জরুরি প্রয়োজনে তখন রক্ত মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে। এই ক্যাম্পেইন সে সমস্যা দূর করবে।”

সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে। কেউ প্রথমবারের মতো নিজের রক্তের গ্রুপ জেনে আনন্দিত, কেউ আবার নিজের নাম লিখিয়ে দিচ্ছেন ভবিষ্যতে রক্তদানের তালিকায়।

বাথানগাছি যুব সংঘ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন, “আমরা চাই, আমাদের এলাকায় কেউ যেন শুধুমাত্র রক্তের অভাবে প্রাণ হারাতে না হয়। এই উদ্যোগ এখানেই থেমে থাকবে না—আমরা পূর্ণাঙ্গ ব্লাড ব্যাংক গড়ার স্বপ্ন দেখছি।”সেসময় বাথানগাছি যুবসংঘ ব্লাড ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ বাবু, নাঈমুর রহমান,গোলাম রাব্বি, জুয়েল হোসেন,রহমান হোসেন,রশিদুল ইসলাম, সোনিয়া আক্তার, নাসির উদ্দীনসহ অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কারিগরপাড়া বটতলা এলাকায় স্থাপিত বাথানগাছি যুবসংঘ ব্লাড ফাউন্ডেশন মূলত স্থানীয় কিছু তরুণের স্বেচ্ছাশ্রম ও মানবিক উদ্যোগে গড়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে তারা নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসা কুড়িয়েছে এলাকাবাসীর।

পড়ুন: কালীগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)’র লিফলেট বিতরণ

দেখুন: জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে কৃষকের মৃ/ত্যু | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন