বিজ্ঞাপন

মাদারীপুরে জমি জমা বিরোধীদের জেরে বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম

মাদারীপুর সদর উপজেলায় জমি জমার বিরোধের জেরে বাবা ছেলে ও ভাইকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ সামচু শেখ ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে শিরখাড়া ইউনিয়নের সোনাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোনাপাড়া গ্রামের আকবর ফকির (৫০) তার ফসলি জমিতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজনের জমি দখল করার জন্য দেশীয় অস্ত্রসহ সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে সামচু শেখের নেতৃত্বে কয়েকজন তার উপর হামলা চালায়। এতে আকবর ফকির মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হলে তার চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তার ভাই মুরুদ্দিন ফকির।এ সময় সামচু শেখের ইলিয়াস শেখ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পরে যায়। পরে নুরুদ্দিন ফকিরের ছেলে সেলিম ফকির (৩২) তার বাবাকে বাচাতে এলে তাকেও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
আহতদের সেলিম ফকির বলেন, সামচু শেখ আমাদের জমি দখলের উদ্দেশ্যে আগে থেকেই বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিল কিন্তু তারা খারাপ লোক হয় আমরা ভয়ে কিছু বলতে পারিনি আজকে আমাদের জমিতে আমরা ফসল করতে গেলে সামসু থেকে নেতৃত্বে আমাদের উপর হামলা চালায় আমাদের জমি দখল করার উদ্দেশ্যে। পরে আমরা বাধা দিলে তাদের লোকজনেরা আমাদের উপর হামলা করে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতা ভূকতেছি। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চাই এবং আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।
ভুক্তভোগী আকবর ফকির বলেন, সামসু আমাদের উপর হামলা করো ক্ষ্যান্ত নয়নি।এখন আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা এবং সঠিক বিচার চাই শামচুর শেখ ও তার লোকজনের।
এ বিষয়ে জানার জন্য অভিযুক্ত সামচু শেখের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করবো কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:পহেলা বৈশাখ ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেবে সরকার

দেখুন:ঝাড়ফুঁকের নামে ৪৩ বছর ধরে প্রতারণা করেন তিনি | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন