০১/০৩/২০২৬, ০:২৫ পূর্বাহ্ণ
20.4 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ০:২৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব এ রায় ঘোষণা করেন। 

কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মজিবুর রহমান মীর (৬৫), হাবিবুর রহমান (৬৩), মুখলেছ (৩২), শামীম (৪০), আরিফ (৩১), রানা (২৫), আমিনুল (৩৭), আব্দুর রাশিদ (৫৫), ফাইজুল (৫০), মনির (২৯), শাহীন (৪০), হাদিস (৫০) ও কামরুল (২৯)। রায় ঘোষণার সময় আসামি কামরুল পলাতক ছিলেন। সকল আসামিরা করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া মীরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। 

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে মামলার বাদী করিমগঞ্জ উপজেলার ভাটিয়া মীরপাড়া গ্রামের আইন উদ্দিনের সঙ্গে আসামি ফাইজুল ও হাদিসদের বিরোধ চলছিল। ২০২০ সালের ১০ এপ্রিল বিকালে সীমানা নির্ধারণের জন্য বাদী জমিতে গেলে আসামিদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। এ সময় আসামিরা বাদীকে খুন-জখমের হুমকি দেয়। এর কিছুক্ষণ পর বাদীর বড় ভাই মনির মিয়া বাড়িতে আসার পথে আসামিরা তাকে ঘেরাও করে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। আসামিরা মনির মিয়াকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তার ডাক চিৎকারে বাদী আইন উদ্দিনসহ অন্যরা এগিয়ে গেলে আসামিরা তাদের ওপরও হামলা চালিয়ে জখম করে। 

স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে মনির মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন মৃত্যুবরণ করেন।

এ ব্যাপারে নিহত মনিরের ছোট ভাই আইন উদ্দিন বাদী হয়ে ১২ এপ্রিল করিমগঞ্জ থানায় ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করিমগঞ্জ থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক নাহিদ হাসান সুমন ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ আজ রায় ঘোষণা করা হয়। 

এনএ/

দেখুন: কাদের হস্তক্ষেপে মামলা থেকে বাদ যাচ্ছে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নাম ?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন