৩০/০১/২০২৬, ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
৩০/০১/২০২৬, ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মার্কিন অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ সরাতে ৭৫ কংগ্রেসম্যানের চিঠি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ ৭৫টি দেশের ওপর অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ তুলে নিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিয়ো ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নয়েমকে চিঠি দিয়েছেন ৭৫ কংগ্রেসম্যান।

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওই সিদ্ধান্তের ফলে গোটা বিশ্বের ভুক্তভোগীদের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে বৃহস্পতিবার দেওয়া ওই চিঠিতে।

সেখানে এশিয়ান প্যাসিফিক আমেরিকান ককাসের চেয়ার কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেংসহ ৭৫ কংগ্রেসম্যান ভিসা কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ উঠিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

চিঠিতে বলা হয়, স্থগিতাদেশের কারণে ভিসাধারী ১ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি এশিয়ান-আমেরিকান পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে ফিরতে পারছে না। বিশ্বের ‘৪০ শতাংশ’ মানুষ ভিসা স্থগিতাদেশের আওতায় পড়েছেন। এটি বিশাল এই জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করার শামিল।

আরও বলা হয়, বিদ্যমান রীতি মেনে যারা পারিবারিক, ব্যবসায়িক, বিনিয়োগ, চাকরি সূত্রে যুক্তরাষ্ট্রে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন, তাদের বলা হচ্ছে যে ‘সঠিক উপায়ে আসতে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আগেই আগ্রহীদের সঙ্গে এমন আচরণের ব্যাপারটি মেনে নেওয়া যায় না।

“এটা নির্দয় আচরণের শামিল। কারণ অভিবাসীরা যাবতীয় রীতি মেনেই সবকিছু সাবমিট করেছেন ভিসার জন্যে। নিষেধাজ্ঞার ফলে আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে আগ্রহীদেরকে বাধা দেওয়া হচ্ছে।”

গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র।

অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, রাশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, ব্রাজিল, কুয়েত, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক।

মার্কিন পররাষ্ট মন্ত্রণালয় এ বিষয়ক এক এক্স পোস্টে বলেছিল, যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের কল্যাণভাতা অগ্রহণযোগ্য হারে নিয়ে থাকে, এমন ৭৫টি দেশের অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া পররাষ্ট্র দপ্তর স্থগিত রাখবে। নতুন অভিবাসীরা মার্কিন জনগণের সম্পদে ভাগ বসাবে না- যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র এটা নিশ্চিত হতে পারছে ততদিন স্থগিতের এ আদেশ কার্যকর থাকবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কনস্যুলার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়, ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়মের অধীনে তারা ভিসার আবেদন বাতিল করতে পারবেন। ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়মে সাধারণত দেখা হয়, কোনো ভিসা আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে নিজের খরচে জীবনযাপন করতে পারবেন কিনা।

মার্কিন প্রশাসন যদি মনে করে, আবেদনকারী ব্যক্তি সরকারি কল্যাণভাতা বা অন্যান্য সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন, তাহলে তার ভিসা প্রত্যাখ্যান করবে।

গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে সব মার্কিন দূতাবাসকে ‘পাবলিক চার্জ’ বিধানটি কঠোরভাবে প্রয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ট্রাম্প দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের বিষয়ে খরগহস্ত হয়েছেন। একের পর এক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এর অংশ হিসেবে ব্যাপক আকারে ভিসা দেওয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইরানের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন নিষেধাজ্ঞা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন