পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার জন্য মার্জিন ঋণ নতুন করে প্রণয়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রস্তাবিত খসড়ায়, মার্জিন ঋণ নেয়ার যোগ্যতা হিসেবে ১০ লাখ টাকা ন্যূনতম পুঁজি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে পুঁজিবাজারে ছড়ানো হচ্ছে গুজব।
বাজারে গুজব ছড়ানো হয়েছে যে, যেসব বিনিয়োগকারীর ১০ লাখ টাকার নিচে পোর্টফোলিও রয়েছে তাদের শেয়ার বিক্রি করে দিতে হবে। তারা আর নতুন করে মার্জিন ঋণ পাবে না। যে কারণে হাউজগুলো থেকে ১০ লাখ টাকার নিচের পোর্টফোলিও অ্যাকাউন্টগুলো সমন্বয় করার চেষ্টা করছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পুঁজিবাজারে পড়ছে।
এদিকে বাজারে ছড়ানো এই গুজবের কোন ভিত্তি নেই।
এ ব্যাপারে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম নাগরিককে জানান, টাস্কফোর্সের সুপারিশ অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষার বিষয়টি চিন্তা করে মার্জিন রুলস,২০২৫ এর খসড়া অনুমোদন করেছে বিএসইসি। এটি এখন জনমত জরিপের জন্য প্রকাশ করা হবে। পরবর্তীতে সংযোজন-বিয়োজন করে আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হবে। মার্জিন অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ টাকা রাখার একটি বিধান খসড়ায় রয়েছে। কিন্তু বিদ্যমান যাদের মার্জিন অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ টাকার কম রয়েছে তাদের এখনই শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে সমন্বয় করতে হবে অথবা ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করতে হবে,বিষয়টি তেমন নয়।
বিএসইসির মুখপাত্র আরো জানান, মার্জিন আইন চূড়ান্ত হওয়ার পর বিদ্যমান মার্জিন অ্যাকাউন্টগুলোকে একটি যৌক্তিক সময় দেয়া হবে। তখন বিনিয়োগকারীরা তাদের পোর্টফোলিও ঠিক করার জন্য যথেস্ট সময়-সুযোগ পাবেন। কাজেই বর্তমানে এ ইস্যুতে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে সেটি সঠিক নয়। বিনিয়োগকারীদের এ সংক্রান্ত গুজব এড়িয়ে বাজারের প্রতি আস্থা রাখার কথা জানান কমিশনের মুখপাত্র।


