জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় কৃষকদের অংশগ্রহণে মালচিং পদ্ধতিতে মরিচ চাষ বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (GESMIN) প্রকল্পের উদ্যোগে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষির আওতায় এ মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
গত বুধবার ১৪ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারি, চিনাডুলি, নোয়ারপাড়া ও গোয়ালেরচর ইউনিয়ন এবং মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ও মাহমুদপুর ইউনিয়নে পৃথকভাবে এসব মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সহায়তায় অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রাম (ANCP)-এর আওতায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সংঘ যৌথভাবে জেসমিন (GESMIN) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
মাঠ দিবসে মালচিং পদ্ধতিতে উৎপাদিত মরিচের উন্নত ফলন সরেজমিনে প্রদর্শন করা হয়। এতে উৎপাদক দলের সদস্যদের পাশাপাশি কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ফলোয়ার কৃষকসহ মোট ছয় শতাধিক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সল। এছাড়াও দুই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জেসমিন প্রকল্পের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমন্বয়কারী বিজন কুমার দেব, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মো. খলিল উল্লাহ, আবিদ হাসান, রবিউল আউয়াল, আব্দুস সামাদ, রাশিদুল হাসান, নিউট্রিশন অফিসার রেবেকা সুলতানা এবং জেন্ডার, ডিজাস্টার অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ অফিসার মাহমুদুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
মাঠ দিবসে পচনশীল মালচিং ফিল্মের ব্যবহার, হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ, জৈব বালাইনাশকের প্রয়োগ বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, মালচিং পদ্ধতি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখে এবং একই সঙ্গে উৎপাদন খরচ কমিয়ে কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
এ ধরনের উদ্যোগ টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


