১৪/০১/২০২৬, ২২:৪৫ অপরাহ্ণ
20 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ২২:৪৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মিরপুরের অজ্ঞাত মামলায় কুড়িগ্রামে জাপা’র মনোনয়ন বাতিল

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় কুড়িগ্রাম-২ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও একই আসনে দলটির সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক।

‎বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার আবু বক্কর সিদ্দিক এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

‎রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, জাপা প্রার্থী ও সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মিরপুরে একটি মামলা হয়েছে। তিনি ওই মামলার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি। এ কারণে তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

‎রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে কুড়িগ্রাম-১ ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়।

‎এতে কুড়িগ্রাম-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ছয় প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে কুড়িগ্রাম-২ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী নয় প্রার্থীর মধ্যে জাপা প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এ আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ও এনসিপিসহ বাকি সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

‎তবে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

মামলা ও আপিলের বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার নামে যে মামলা হয়েছে, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। না জানলে কীভাবে হলফনামায় উল্লেখ করব! আজ শুনলাম ঢাকার মিরপুরে আমার নামে মামলা হয়েছে এবং সেই কাগজ নিয়ে এসে জমা দেওয়া হয়েছে। আমি কি মিরপুরে গিয়ে যুদ্ধ করছি? মামলা তো হতেই পারে। এখন আমি আপিল করব।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কুড়িগ্রামে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের প্রচারণা, আটক ৫

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন