১০/০২/২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
20 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মুকসুদপুরে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাসের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছেন এলাকাবাসী।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার জলিরপাড়ে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মানববন্ধন করা হয়।  

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সালাম ফকির, শুকুর আলী, মনিমোহন হিরা, জাহিদ শেখ প্রমুখ । মানববন্ধন শেষে  উপ-সহকারী ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাসের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জলিরপাড় ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাস ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করেন না। ঘুষবাণিজ্যে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। পুরানো ডিসিআর বাতিল না করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একই জমি অন্য ব্যক্তির নামে ডিসিআর দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। এ ছাড়া জমির খাজনা পরিশোধ করতে গেলে ভূমি কর্মকর্তা নির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে কয়েক গুণ বাড়তি টাকা দাবি করেন। খাজনার রসিদ প্রদানের সময় সরকার নির্ধারিত টাকা উল্লেখ করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, জলিরপাড় রাস্তার পাশে নদীর তীর পর্যন্ত সরকারি সম্পত্তি। বিগত ৪০ বছর যাবত সরকারের কাছ থেকে যারা নিয়ে বন্দোবস্ত নিয়ে বসবাস ও ব্যবসা করে আসছি। রাস্তা সম্প্রসারণে কাজের জন্য আমরা আমাদের দোকানপাট ও বসতঘর সরিয়ে নেই। আমাদের ইজারা থাকা সত্ত্বেও অন্য এলাকার লোকে থেকে দুই থেকে তিন লাখ টাকা নিয়ে তাদের বন্দোবস্ত দেয়ার পাঁয়তারা করছেন রিমন বিশ্বাস।

মানববন্ধনে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাসকে অপসারণ করে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানায় এলাকাবাসী।

এ বিষয় অভিযুক্ত জলিরপাড় উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা রিমন বিশ্বাস বলেন, ‘কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করছে সব মিথ্যা বানোয়াট। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গোপালগঞ্জ-৩ আসনে একই বংশের দুই ব্যক্তি দুই দল থেকে এমপি প্রার্থী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন