বিজ্ঞাপন

মুক্ত গণমাধ্যম যেন দায়িত্বহীন না হয় : এম আব্দুল্লাহ

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবদুল্লাহ বলেছেন, আমরা এখন মুক্ত গণমাধ্যমের যুগে আছি। কিন্তু এই জায়গায় আসতে আমাদের অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে—১৪শ’র বেশি প্রাণ, ৩০ হাজার মানুষের অঙ্গহানি। এমন এক সময় পেরিয়ে এসেছি, যেখানে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করা হয়েছিলো, সম্পাদকদের কারাগারে পাঠানো হয়েছিলো, পেশাদার গণমাধ্যম ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিলো।
তিনি বলেন, গত ১৫-১৬ বছর ধরে আমাদের সাংবাদিকতা ছিলো এক ফ্যাসিস্ট রেজিমের শিকার। ধ্বংসের কিনারায় ছিলো গণমাধ্যম। এখন সেই অবস্থান থেকে উঠে এসে আমরা একটি মুক্ত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গড়ে তুলতে চাই। এই মুক্ত পরিবেশ যেন দায়িত্বহীন হয়ে না পড়ে- সাংবাদিকদের প্রতি সেই আহ্বান জানাই।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের মাঝে কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে জেলায় কর্মরত ১৬ জন সাংবাদিকের মাঝে কল্যাণ তহবিলের অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আমরা এখন গণমাধ্যম নিয়ে অনেক কথা দেখতে পাচ্ছি। গত কয়েকদিন পত্রিকাগুলোর পৃষ্ঠাজুড়ে দুইটি গণমাধ্যমে আগুন দেওয়ার খবর দখল করে আছে। গণমাধ্যমে সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ—এগুলো কোনো বিবেকবান, গণতান্ত্রিক, গণমাধ্যমকর্মী কখনোই সমর্থন করতে পারে না। কিন্তু যদি এমন ধারণা দেওয়া হয় যে, এটাই প্রথম গণমাধ্যমে হামলার ঘটনা, তাহলে সেটা আমাদের জন্য কষ্টদায়ক- বলেন তিনি।
এম আব্দুল্লাহ আরও বলেন, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারে থাকাকালে ৫৯ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। প্রতি মাসে ২৫-৩০ জন সাংবাদিক হামলায় পঙ্গু হয়েছেন, মিথ্যা মামলায় আসামি হয়েছেন, জেল খেটেছেন- এগুলোও বাস্তবতা।

জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সম্রাট খীসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী, লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমেদ হেলাল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আ.হ.ম মোশতাকুর রহমান, দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম স্বপন সহ জেলা কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিনিয়োগ শেয়ার হস্তান্তর ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন