28.5 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ২০:১২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মুন্সীগঞ্জে টেন্ডার জমা নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ

মুন্সীগঞ্জে টেন্ডার (দরপত্র) জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স এলাকায় এ উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

বিজ্ঞাপন

​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ছয়টি বাজারের ইজারার দরপত্র জমা নেওয়ার নির্ধারিত দিন ছিল। দুপুর ১২টার দিকে ধলাগাঁও বাজারের টেন্ডার জমা দিতে যান জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন টুটুলের অনুসারীরা। এসময় দরপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ‘বাবু’ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, বাবু নামের ওই ব্যক্তি রোমান দেওয়ান পক্ষের হয়ে অন্য কাউকে টেন্ডার জমা দিতে বাধা দিচ্ছিলেন।

​এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে টুটুল পক্ষের লোকজন বাবুকে মারধর শুরু করলে উপস্থিত দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কমপ্লেক্সের বাইরেও দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

​টুটুল পক্ষের তুষার আহমেদ শাকিল বলেন, টেন্ডার জমা দেওয়ার অধিকার সবার আছে। কিন্তু জমা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পক্ষ অন্যায়ভাবে বাধা প্রদান করে। সেই বাধা থেকেই মূলত এই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

​তবে উপস্থিত কয়েকজন দাবি করেছেন, বাবু স্থানীয় বাসিন্দা হলেও তিনি রোমান দেওয়ানের লোক নন। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি থেকেও ঘটে থাকতে পারে।

​মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, “টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। পরবর্তীতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সবার টেন্ডার জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

পড়ুন- ৪ আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

দেখুন- সৌদি আরবে ফের ইরানি ক্ষে/প/ণা/স্ত্রে/র আঘাত 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন