বিজ্ঞাপন

মুন্সীগঞ্জে জসিম নায়েব হত্যার আসামি গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

মুন্সীগঞ্জ সদরে নির্বাচন পরবর্তী সংহিতা’য় নিহত জসিম নায়েব (৩৩) হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বেলা ১১ টায় দিকে সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ্পুর গ্রামে নিহতের বাড়ির সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। এতে ঘন্টাব্যাপী সময়ে স্থানীয় শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জসিম হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার পরও এখনও প্রধান আসামিদের আইনের আওতায় আনা হয়নি, ফলে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের চাচা মো. জয়নাল নায়েব, মোস্তফা নায়েব, ফুপু ভানু বেগম ও ফুপু হাজেরা বেগম, বড় ভাবি শাহনাজ বেগম ও ছোট ভাবি রিয়া মনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

নিহতের ফুপাতো বোন রুজিনা ইসলাম বলেন, আমরা জসিম হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। আসামিরা গ্রামের আসেপাশে ঘুরছে, তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।

নিহতের চাচা মোস্তফা নায়েব বলেন, দুজন আসামিকে পুলিশ ধরলেও, এ ঘটনার মূল আসামি নাছির দেওয়ান ও তার ছেলে সাকিল কে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি। নাসির দেওয়ান এরআগেও তার ভাতিজীকে হত্যা করে এলাকাবাসীকে ফাসিয়ে ছিলো, তা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। সরকারের কাছে আবেদন তাদের গ্রেপ্তার করে বিচার করা হউক।

উল্লেখ্য, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আব্দুল্লাহ্পুর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশেই জসিম নায়েব কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পতিপক্ষ। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এছাড়াও এ ঘটনায় জসিম নায়েবের বাবা ও বড় এক ভাই আহত হন।

এ ঘটনায় মূল আসামিরা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে থাকলেও দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

পড়ুন:দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে ধাক্কা সিলিন্ডারবাহী ট্রাকের,হেলপার নিহত

দেখুন:চা বিক্রি করে সংসার চলে দিনাজপুরের জনপ্রতিনিধির | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন