১৪/০১/২০২৬, ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ‘ধিক্কার’ মিশা সওদাগরের

আইপিএলে বড় অঙ্কের চুক্তি পেয়েও শেষ পর্যন্ত দল থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। কলকাতা নাইট রাইডার্সে সুযোগ পাওয়া এই ক্রিকেটারকে স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের আপত্তির মুখে সরিয়ে দেয়ার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ঢালিউডের প্রভাবশালী অভিনেতা মিশা সওদাগর।

বিজ্ঞাপন

ঘটনাটিকে শুধু একটি ক্রিকেট সিদ্ধান্ত নয়, বরং সংস্কৃতি ও ক্রীড়ার ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন তিনি। এ নিয়ে সরাসরি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন এই অভিনেতা। গত রোববার (৪ জানুয়ারি) নিজের জন্মদিনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মিশা সওদাগর। আলাপচারিতায় মুস্তাফিজ প্রসঙ্গ উঠতেই স্পষ্ট ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। মিশা বলেন, মুস্তাফিজ আমাদের একটা প্রতীক। যারা সংস্কৃতি ও খেলাধুলোর মাঝে এমন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করলেন, তাদের ধিক্কার জানাই।

ক্রিকেটপ্রেমী হিসেবেও পরিচিত মিশা সওদাগর মুস্তাফিজুর রহমানের ব্যক্তিত্ব ও ক্যারিয়ারের প্রশংসা করে বলেন, মুস্তাফিজ একজন অসাধারণ ক্রিকেটার। মাশরাফির পর এত দীর্ঘ সময় ধরে এত সমৃদ্ধ ক্যারিয়ার অথচ তার চোখেমুখে বিন্দুমাত্র অহংকার নেই। এমন মানুষকে সম্মান করা যায়।

রাজনীতি ও সংস্কৃতিকে এক কাতারে এনে বিচার করাকে কুরুচিপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেতা। তার মতে, শিল্প ও খেলাধুলোর ক্ষেত্র হওয়া উচিত উন্মুক্ত ও স্বাধীন, যেখানে রাজনৈতিক উগ্রতার কোনো জায়গা নেই। মিশা সওদাগর বলেন, রাজনীতি বা উগ্রতার কারণে যারা সংস্কৃতিকে ছাড়িয়ে গিয়ে বাধা সৃষ্টি করল, তারা খুবই বাজে মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। মুস্তাফিজকে এভাবে বাদ দেয়া শুধু দুঃখজনক নয়, রুচির অভাবেরও প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, মুস্তাফিজের মতো আন্তর্জাতিক তারকাকে এভাবে আটকে দেওয়ার চেষ্টা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের জন্যও একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

পড়ুন- মার্কিন অভিনেতা ব্রেট হান্না শুফোর্ড আর নেই

দেখুন- বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন