“পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় মেহেরপুরেও পালিত হয়েছে জাতীয় পাট দিবস। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তর, মেহেরপুরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে শিল্পকলা একাডেমি মোড় প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পাটচাষী, উদ্যোক্তা ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির।
সভায় জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে পাট চাষের সম্প্রসারণ ও পাটশিল্পের আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পাট একটি পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক আঁশ। বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। তাই পাটের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পাটশিল্পের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, পাটচাষীদের উৎসাহিত করতে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাট উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মানসম্মত পাট উৎপাদনের ওপর জোর দিতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মেহেরপুর; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মেহেরপুর সদর; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক; জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা, পাট অধিদপ্তর, মেহেরপুরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পাটচাষী, পাটশিল্প উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
সভায় বক্তারা পাটশিল্পের উন্নয়ন, পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং পাটচাষীদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কৃষিপণ্য। এর সঠিক ব্যবহার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।
পড়ুন- অসহায় মানুষের জীবনমান উন্নয়নে করিম-বানু ফাউন্ডেশন
দেখুন- দীর্ঘমেয়াদে যু/দ্ধ শুরুর আগেই সংকটে ইস/রা/য়ে/লের সামরিক খাত!


