বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা

মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারি গ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলায় রিগান হোসেন(৩৫) নামের এক যুবককে কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায় আরও এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে জেলা শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল আদালত। আজ সোমবার দুপুরে এ রায় দেন মেহেরপুর শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মোঃ তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। রিগান হোসেন মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরোঘরিয়া উত্তর পাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১০ মার্চ মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারি গ্রামের রহিদুল ইসলামের ১০ বছর বয়সী তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে পার্শ্ববর্তী তেরঘরিয়া গ্রামে তার নানার বাড়ি বেড়াতে যায়। ২০২৩ সালের ১৫ মার্চ আনুমানিক দুপুর সাড়ে ১১ টার দিকে চকলেট দেওয়ার নাম করে শিশুটিকে রিগান তার দোকানের মধ্যে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে, রিগান শিশুটিকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় রিগানের মা সখিনা খাতুন শিশুটিকে তার নানীর বাড়িতে রেখে আসে। পরে শিশুটির নানির বাড়ির লোকজন উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ অধ্যায় বিশিষ্ট হাসপাতালের রেফার করে, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে শিশুটি জ্ঞান ফিরলে তার সাথে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনা পরিবারের সদস্যদের জানাই।
পরে ২০২৩ সালে ১৬ মার্চ শিশুটির চাচা শাহাবুদ্দিন মেহেরপুর সদর থানায় বাদি হয়ে ৯(১)২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধর্ষণ করার অপরাধে একটি মামলা আদায়। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল আলিম প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর আগে রিগার হোসেন তার নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। ১৭ জনের স্বাক্ষর প্রমাণ শেষে শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল আদালত রিগান হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায় আরো এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিডিটর মুস্তাফিজুর রহমান তুহিন, আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট পল্লব ভট্টাচার্য ও ইব্রাহিম শাহীন কৌশলী ছিলেন।

পড়ুন:নববর্ষে মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

দেখুন:৫৫ বছর আগে বাংলাদেশে আসা বীর বাহাদুর অবশেষে ফিরে গেলেন

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন