মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাথুলী সীমান্তে বিএসএফ ও বিজিবির পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চার শিশু সহ ১৪ জন বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। আজ শনিবার সকালে এ পতাকা কৈবঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব মোর্শেদ রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শনিবার সকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কাথুলী বিওপির সীমান্ত এলাকার আনুমানিক ১০০ গজ অভ্যন্তরে সীমানারেখার ১৩৩/৩ এস পিলারের অভ্যন্তরে বিজিবি ও কিএসএফএর পতাকা বৈঠকের পর দুইটি পরিবারের ১৪ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর করেছে বিএ এসএফ। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ চারজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে। পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলায়। তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দালালের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করে। এ ১৪ জনকে গাংনী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পতাকা বৈঠকে ভারতের পক্ষের নেতৃত্ব দেন আসাম রাজ্যের তেইমপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অনোজ কুমার। তবে বাংলাদেশের পক্ষে কে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাজানাতে বিিিজবি অপারগতা প্রকাশ করেছেন। পুশইন হওয়া ব্যাক্তিরা করা হলেন, ঠাকুরগাঁও জেলার বলিয়াডাঙ্গী থানার জেলেল বস্তির গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে হানিফুর রহমান(৩৮), তার স্ত্রী লুৎফা খাতুন(২৮), মেয়ে হাবিবা খাতুন(১২) আলিয়া খাতুন(১.৫), ছেলে হাবিবুল্লা(০৫), একই এলাকার খাদেমগঞ্জ গ্রামের মৃত কলিম উদ্দিন এর ছেলে বাবুল(৫০), তার স্ত্রীর আফরোজা খাতুন(৪৩), মেয়ে লাভলী খাতুন(২৫) শবনম খাতুন(১৯), ছেলে সাদ্দাম হোসেন(২৪),বেউরঝাকী গ্রামের আজগর আলী ছেলে তরিকুল ইসলাম(২৮),রত্নাই গ্রামের ধুনিবুলা মোহাম্মদের ছেলে আজিজুল হক(৪৫) ও লক্ষহাট গ্রামের আব্দুল লতিবের ছেলে হাসেম হাতেম(৫২)। পুশইন হওয়া হানিফুর রহমান জানান, তিন বছর আগে জীবিকার তাগিদে পানি পথ দিয়ে দালালের মাধ্যমে ভারতে গিয়েছিলাম। আসাম রাজ্যের হরিয়ানাতে পাপোস তৈরির কারখানায় কাজ করতাম। গত মাসের ২১ তারিখে ভারতের পুলিশ আমাদেরকে আটক করে। এরপর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিপির নিকট আমাদেরকে হস্তান্তর করে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানি ইসরাইল জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুশ ইন হওয়া ব্যক্তিদের তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পড়ুন: কোনাবাড়ীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ
দেখুন: খাবার নেই, নেই টাকা পাক সেনাবাহিনীর
ইম/


