বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরে ৩০৮টি স্কুলে ক্লাস বন্ধ,বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা

তিন দফা দাবি আদায় ও সহকারী শিক্ষকদের ওপর পুলিশের হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মেহেরপুর জেলার মোট ৩০৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি পালন করছে সহকারী শিক্ষকরা। । ২২ ডিসেম্বর সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা এবং একই সময়ে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
প্রতিদিন স্কুলে গিয়ে ক্লাস না পেয়ে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছে শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীরা জানায়, পরীক্ষার এত কাছাকাছি সময়ে টানা ক্লাস বন্ধ থাকলে তাদের পড়াশোনায় গুরুতর ক্ষতি হবে।
যেসব অধ্যায় শেষ হবার কথা ছিল, সেগুলো অসম্পূর্ণ রয়ে যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী বলছে, পরীক্ষার আগে বিষয়গুলো বুঝে নেয়া খুব জরুরি ছিল, কিন্তু এখন শিক্ষকরা না পড়ানোয় তারা ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারছে না।

বিজ্ঞাপন

অভিভাবকরা বলছেন, এই অবস্থায় পরীক্ষার ফলাফলও নেতিবাচক হবে। তারা বলেন, স্কুলের নিয়মিত ক্লাসের মতো মানসম্মত পড়াশোনা বাড়িতে করানো সম্ভব নয়। অনেক কর্মজীবী অভিভাবক তো সন্তানের পড়াশোনা দেখার সময়ই পান না। ফলে এই কর্মবিরতি চলতে থাকলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হবে শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।

এদিকে আন্দোলনরত সহকারী শিক্ষকরা দাবি করছেন, ঢাকার কেন্দ্রীয় তিন দফা দাবিতে তারা একাত্ম হয়ে মাঠে নেমেছেন। তারা অভিযোগ করেন, পুলিশি নির্যাতনের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বহু শিক্ষক আহত হয়েছে, যা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন ভাঙার প্রচেষ্টা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

প্রধান শিক্ষকরা বলেন, শিক্ষক আন্দোলনের কারণে জেলার শিক্ষা পরিবেশ অস্থির হয়ে গেছে। দীর্ঘসূত্রতা বাড়লে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধস নামতে পারে। তারা আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে শিক্ষকরা ক্লাসে ফিরবেন। শিক্ষার্থী-অভিভাবকরাও প্রত্যাশা করছেন, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সংকট সমাধান হবে।

পড়ুন- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন গণভোটের আদেশ মধ্য নভেম্বরে জারির প্রস্তুতি

দেখুন- মধ্য প্রাচ্যে নতুন যু/দ্ধ আসছে? |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন