বিজ্ঞাপন

মেহেরপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ দপ্তরীর বিরুদ্ধে

মেহেরপুরের গাংনীতে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগ উঠেছে হোগলবাড়িয়া – মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী মো. তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার(১ জুলাই) শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে যৌন নিপিড়ন করে। ভুক্তভোগী শিশু ওই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার হোগলবাড়ীয়া-মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী তারিক ওই ছাত্রীকে শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করে। পরে মেয়েটি বাসায় গিয়ে তার পরিবারকে জানায়। অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান স্থানীয়রা। এছাড়া তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অশ্লীলতার অভিযোগ রয়েছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমরা চাই তার বিরুদ্ধে এমন শাস্তি প্রয়োগ করা হোক যাতে আর কোনো শিশু তার লালসার শিকার না হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই শিশুর মা বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে আমার মেয়ে বাড়ি এসে সব ঘটনা খুলে বলে। এ বিষয়ে আমরা প্রতিষ্ঠানকে জানিয়েছি তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর আগেও তার বিরুদ্ধে এরম একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য মো. আয়েজ উদ্দিন বলেন, হোগলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে শিশু নিপিড়নের অভিযোগ উঠেছে। আমি জানতে পেরেছি ভুক্তভোগী পরিবার আইনের আশ্রয় নিয়েছে।

হোগলবাড়ীয়া-মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী মো. তারিক হোসেনকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

হোগলবাড়িয়া-মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দপ্তরী তারিকের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ জানিয়েছে। তবে ওই ঘটনার বিস্তারিত কিছু জানি না। ঘটনা কবে কার তাও জানি না বলে জানান তিনি।

গাংনী থানার তদন্ত ওসি আল মামুন জানান, এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে একটা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পড়ুন: বগুড়ায় ভয় দেখিয়ে ৭০ হাজার টাকা আদায়: এপিবিএন সদস্যসহ ৬ জন আটক

দেখুন: ভুল বিচারে ১৮ বছর কারাভোগ, ৩৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ! 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন