ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনিও মারা গেছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (১৪ মার্চ) এনবিসি নিউজের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি এ দাবি করেন। এ সময় ট্রাম্প বলেন, যদি তিনি (মোজতবা খামেনি) জীবিত থাকেন তাহলে দেশের স্বার্থে তার ‘আত্মসমর্পণ’ করা উচিত।
ইরানের নতুন নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও মোজতবা খামেনি ক্যামেরার সামনে না আসায় এ ধরনের জল্পনা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, আমি জানি না তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না। এখন পর্যন্ত কেউ তাকে দেখতে পারেনি। আমি শুনছি তিনি বেঁচে নেই। আর যদি বেঁচে থাকেন, তাহলে তার দেশের জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত হবে আত্মসমর্পণ করা।
এদিকে তেহরানের একটি সূত্র দাবি করেছে, ৫৬ বছর বয়সি মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন। সূত্রটি মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসা, অবস্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে।
দাবি করা হয়েছে, তেহরানের সিনা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং হাসপাতালের একটি অংশ সম্পূর্ণভাবে ঘিরে রেখে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কারণ, বর্তমানে ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ অনেকাংশে বন্ধ রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন স্বীকার করেছে যে খামেনি আহত হয়েছেন। তবে তার আঘাত কতটা গুরুতর সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় তিনি একটি পা হারিয়েছেন এবং তার পেট বা লিভারে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
পড়ুন: হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে অনেক দেশ যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে: ট্রাম্প
আর/


