১০/০২/২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ণ
20 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

মোবাইল দেখানোর প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধামাচাপার চেষ্টা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুরে ৫ বছর বয়সের একটি শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা-মাকে ম্যানেজ করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৩১মার্চ) ঈদের দিন সন্ধ্যায় উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। তবে ১ এপ্রিল বিষয়টি প্রকাশ পায় বলে জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. মতিউর রহমান। ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


স্থানীয়দের দাবি, মোবাইল দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে মো. সাকিব (১৭) নামে এক যুবক শিশুটিকে ধর্ষণ করেছে। যৌন নির্যাতনের সময় শিশুটি চিৎকার করলে জানাজানি হয়ে যায়। অভিযুক্ত সাকিব ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। প্রথমে শিশুটিকে গ্রাম্য ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।


স্থানীয়রা জানান, শিশুটির পরিবার একই এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত মো. সাকিব তাদের প্রতিবেশি মো. বাবার আলীর ছেলে। ঈদের দিন সন্ধ্যার দিকে সাকিব শিশুটিকে মোবাইল দেখানোর কথা বলে নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। তবে শিশুটি চিৎকারে এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী বলেন, শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। তবে ছেলেটিও নাবালক কিশোর। থানা থেকে পুলিশ এসেছে। তারাই দেখছেন বিষয়টা।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. মতিউর রহমান বলেন, নারায়ণপুরে পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়সের একটি শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সন্ধ্যায়। কিন্তু আমাদের কেউ জানায়নি। বিষয়টি প্রকাশ পায় আজকে (১লা এপ্রিল) বিকেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। ধর্ষণের ঘটনা সত্য কি-না, সেটি জানতে শিশুটিকে মেডিকেল টেস্টের প্রয়োজন আছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাছে গাছে আমের মুকুল, চারদিকে ম-ম সুবাস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন