বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাটে থানা বিএনপি আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, শেখ হাফিজুর রহমান একজন নামধারী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি ছাড়াও ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোল্লাহাট থানার বিভিন্ন এলাকায় সম্পদ লুট মারপিঠ, জোরপূর্বক সাধারণ মানুষের বাড়িঘর থেকে গরু, হাঁস, মুরগি ব্যাপক লুটপাট করে।
এছাড়া এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মক্রম চালিয়ে বাড়িঘর থেকে মালামাল টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়েছেন। এই ধরনের নানা অনিয়মের কারণে গত ৫ ডিসেম্বর ২৫ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত আদেশে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু বহিষ্কারের আধা ঘণ্টার মধ্যেই সেই বহিষ্কারা ফের আবার রহস্যজনকভাবে প্রত্যাহার করা হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত দেলোয়ার হোসেন জানান, শেখ হাফিজুর রহমান উপজেলা গাওলা ইউনিয়নের বিল কেন্দুয়া বিনে আজিজুর রহমানের ১২০০ বিঘা ঘের দখল করে। ৮টি গরু
ও ৮ শতাধিক মুরগি-হাঁস জোরপূর্বক নিয়ে যায়। হাড়ফা গ্রামের ফজলুল করিমের বিপুল পরিমাণ সম্পদ নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টুকে জিম্মি করে তার সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়। শেখ হেলালের হয়ে কাজ করতে শেখ হাফিজুর রহমান। শেখ হেলালের সব মিটিং মিছিল তাকে দেখা যেত। শেখ হেলালের মেয়ের বিয়েতে ৫ লাখ টাকার উপহার কিনে দেন তিনি।
হিন্দু সম্প্রদায় লোকদের বাড়িঘর দখল ও মারপিঠ করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে শেখ হাফিজুর রহমান। মানববন্ধনে বক্তরা দাবি করে অতিদ্রুত আওয়ামী লীগের দোসর শেখ হাফিজুর রহমানকে বিএনপির দল থেকে বহিষ্কার করা হোক। তার কারণে বিএনপির ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
পড়ুন : আদালতের স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও বাগেরহাটে প্রধান সহকারীকে অফিসে ঢুকতে বাধা


