বাংলাদেশের শীর্ষ ফুটবল ক্লাবগুলোতে একের পর এক ফিফা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। মাত্র আট দিনের মধ্যে দেশের দুই জনপ্রিয় ক্লাব আবাহনী ও মোহামেডান ফুটবলার নিবন্ধনের ওপর নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছে। এবার সেই তালিকায় বসুন্ধরা কিংসও যুক্ত হয়েছে।
বসুন্ধরা কিংস, যারা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন, অতীতে ফুটবলার ও কোচদের বড় ধরনের সম্মানী এবং চুক্তির অতিরিক্ত বোনাস প্রদান করতো। তবে ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্লাবটি আর্থিক সংকটে পড়ার পর চুক্তিকৃত অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হয়।
এর ফলে বিদেশি ফুটবলারেরা এবং কোচরা ফিফার কাছে অভিযোগ করেন। ২৭ আগস্ট সাবেক রোমানিয়ান কোচ ভ্যালেরি তিতের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো বসুন্ধরা কিংসের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসে। এরপর ২৩-২৯ অক্টোবর চারটি পৃথক নিষেধাজ্ঞা আরও জারি হয়। ২৯ অক্টোবর মোহামেডান এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা আবাহনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। গতকাল আবার বসুন্ধরা কিংসের ওপর নতুন করে ফিফার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এই ঘটনার ফলে বাংলাদেশ ফুটবলের তিনটি শীর্ষ ক্লাব ফুটবল কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়েছে।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের দলবদল শেষ হওয়ায় আবাহনী, মোহামেডান ও কিংসের চলতি লিগ খেলতে সমস্যা নেই। তবে দুই লেগের মধ্যবর্তী দলবদলে ফুটবলার নিবন্ধন করাতে হলে ফিফা নিষেধাজ্ঞা কাটাতে হবে। ক্লাব ফুটবলারদের বকেয়া পরিশোধ অথবা ফুটবলাররা স্বেচ্ছায় আবেদন প্রত্যাহার না করলে নিষেধাজ্ঞা অপসারণ হয় না।


