বিজ্ঞাপন

যথাযোগ্য মর্যাদায় কুয়েত ভূখণ্ডে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র কুয়েতে গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে যথাযোগ্য মর্যাদা ও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে উদযাপিত হলো বাংলাদেশের গৌরবময় ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ ।বাংলাদেশ মিলিটারী কন্টিনজেন্টস্ (বিএমসি) টু কুয়েতের উদ্যোগে সুবহান সেনানিবাসের বিএমসি সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটি দুই দেশের সামরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে।

বাংলাদেশ ও কুয়েতের সামরিক সম্পর্ক এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সাক্ষী। ১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের পর ‘অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন’ এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশী সামরিক কন্টিনজেন্ট (BMC) কুয়েতে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সাল পর্যন্ত মোট ১৫ হাজার ৭৫১ জন সেনাসদস্য এই পুনর্গঠন মিশনে অংশ নিয়েছিলেন। এবং এই দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মিশনটি অব্যাহত রয়েছে, যেখানে বর্তমানেও প্রায় ৫ হাজার সেনা সদস্য কুয়েত সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

এই দীর্ঘ পথচলায় বাংলাদেশী সেনারা কুয়েতের মাটিকে শত্রু ও যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত করতে ব্যাপক মাইন ও বিস্ফোরক অপসারণ সহ কঠিনতম অভিযানে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, তারা ১১টি কন্টিনজেন্টে বিভক্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং, চিকিৎসা, যোগাযোগ, নিরাপত্তা, প্রশাসন সহ অত্যাবশ্যকীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা দিয়ে কুয়েতকে পুনর্গঠনে প্রত্যক্ষ সহায়তা করছেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমান্ডার বিএমসি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল আবেদীন।

প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল ফেরাস অল শাহীন তাঁর বক্তব্যে ১৯৯১ সাল হতে অদ্যাবধি বাংলাদেশী ডেপুটিগণের আত্মত্যাগ ও পেশাদারিত্বের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, আগামী দিনেও দু’দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সু-সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, তার বক্তব্যে ‘সশস্ত্র বাহিনী দিবস’-এর তাৎপর্য এবং দুই দেশের মধ্যেকার শক্তিশালী মৈত্রীর ইতিহাসের উপর আলোকপাত করেন। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ‘বিএমসি ম্যাগাজিন ২০২৫’-এর মোড়ক উম্মোচন এর মাধ্যমে অনুষ্টানের সমাপ্তি ঘটে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ইতালি জেনোভা শাখার কমিটি অনুমোদন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন