যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে বাদুড়ের মাংস খেয়ে একই পরিবারের ছয়জন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তারা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের শুভাস দাসের স্ত্রী সখি দাস, তার ছেলে ইন্দ্রজিৎ দাস, প্রসেনজিৎ দাস ও হৃদয় দাস, দিলিপ দাসের ছেলে অজয় দাস এবং মৃত তারাপদ দাসের ছেলে রবিন দাস।
অসুস্থ সখি দাস জানান, শনিবার দুপুরে তিনি বাপের বাড়ি থেকে প্রায় এক কেজি বাদুড়ের মাংস নিয়ে আসেন। পরে ওই মাংস রান্না করে রাতে পরিবারের সবাই ভাতের সঙ্গে খান। রোববার সকালে পরিবারের কেউ দীর্ঘ সময় ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। খোঁজ নিতে গিয়ে তারা দেখেন, পরিবারের সদস্যরা সবাই অসুস্থ অবস্থায় ঘরের ভেতরে পড়ে আছেন। পরে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বিকেলে তাদের যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
তবে অসুস্থদের দাবি, তারা বাদুরের মাংস খেয়ে অসুস্থ হননি। তাদের অভিযোগ, খাবারের সঙ্গে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ক্ষতিকর দ্রব্য মিশিয়ে থাকতে পারে। একইসঙ্গে তারা জানান, অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি থেকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান বাদুড়ের মাংস খেয়ে অসুস্থ অবস্থায় একই পরিবারের ছয়জন ভর্তি হয়েছে তাদের চিকিৎসা চলছে তারা এখন আশংকামুক্ত।
পড়ুন- মাদারীপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক বেপারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ


